মেইন ম্যেনু

ধোনির ভাই জীবনমরণ সমস্যায়, কিন্তু ক্ষমার অযোগ্য কাজ করলেন ধোনি!

মহেন্দ্র সিংহ ধোনি কি স্বার্থপর? পরিবার, আত্মীয়স্বজনের উপরে তাঁর কোনও মায়ামমতা নেই? ধোনি ঘনিষ্ঠরা কিন্তু এখন অন্য মানে করছেন। ধোনিকে ভিলেন সাজানো হচ্ছে। ভারতের সফলতম অধিনায়ক কেন নিষ্পৃহ? সেই প্রশ্নর জবাব খুঁজে কেউ পাচ্ছেন না।

কিন্তু যা ঘটনা, তাতে কিন্তু ধোনির চরিত্রের অন্য দিক ফুটে উঠছে। এই ধোনিকে কেউ চেনেন না। এই ধোনি নিজের স্বার্থের জন্য নিজের আপন দাদাকেও ত্যাগ করতে পারেন। তাঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়েও নিতে পারেন। ঘটনাটা কী? ধোনির দাদা নরেন্দ্র সিংহ ধোনির অস্ত্রোপচার হয়েছে বৃহস্পতিবার। অস্ত্রোপচার ঠিকঠাকই হয়েছে বলে খবর। অথচ ধোনিকে দেখা যায়নি হাসপাতালে। দাদার কুশল সংবাদও নেননি তিনি। যেদিন নরেন্দ্রর অস্ত্রোপচার হয়েছিল, সেদিন ধোনি রাঁচিতেই ছিলেন।

জানা গিয়েছে, ধোনির দাদা নরেন্দ্রর গল ব্লাডারে স্টোন হয়েছে। আর অস্ত্রোপচার করে তিনটি পাথর বের করা হয়েছে। কয়েকদিন বাদে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে। দাদা হাসপাতালে শয্যাশায়ী অথচ তাঁকে দেখার নামগন্ধ করেননি ধোনি। এই ঘটনায় প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছেন নরেন্দ্র। তাঁর পরিবারও কিন্তু এই ঘটনায় প্রবল দুঃখ পেয়েছেন। ধোনি কেন এ হেন কাজ করলেন, তা নিয়েও কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলছেন, জাতীয় দলের হয়ে খেলতে নামর জন্য ধোনির চাপ থাকতেই পারে। তাই বলে, দাদার খোঁজখবর নেবেন না!

ধোনির বায়োপিক ‘এমএস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ দিনের আলো দেখেছে। আর সেই ছবি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই সাড়া ফেলে দিয়েছে। ক্রিকেটাররা পর্যন্ত বলেছেন, ধোনির বায়োপিক প্রেরণা হতে পারে। তবে এই ছবিতে দেখানো হয়নি ধোনির দাদা নরেন্দ্র সিংহ ধোনিকে। ধোনির দাদা হতাশা গোপান রাখেননি। ফেসবুকে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যেই তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে হাসপাতালে। ধোনি শহরে তবুও তাঁকে দেখা যায়নি হাসপাতালে। একবারের জন্যও খোঁজখবর নেননি দাদার।