মেইন ম্যেনু

নারীর যৌন কামনার সংকেত ধরতে ব্যর্থ অধিকাংশ পুরুষ

chinh-phuc-mot-co-gai-2

নতুন এক গবেষণায় বলা হয়, নারীর অঙ্গভঙ্গি বা পোশাক দেখে অধিকাংশ পুরুষরাই বুঝতে ভুল করেন যে, ওই নারী তার প্রতি যৌন আকর্ষণ অনুভব করছেন কি না।

আমেরিকার এক দল গবেষক নারীদের যৌন আকাঙ্ক্ষা প্রকাশের দৈহিক আচরণ ও মুখের ভঙ্গী বোঝার চেষ্টা করেছেন। এ গবেষণায় অংশ নেওয়া নারী মডেলদের দৈহিক ভাষা ও মৌখিক ভঙ্গী দেখানো হয় পুরুষদের। দেখা গেছে, অধিকাংশ পুরুষ দেখেছেন কোন নারী কতটা আকর্ষণীয়। আর নারীরা দেখেছেন, ওই নারী মডেলদের দৈহিক ভাষা ও পোশাকের বৈশিষ্ট্য।

গবেষকরা মনে করেন, এ গবেষণার থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা প্রয়োগ করা হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানির মাত্রা কমে আসবে। এক হিসাবে বলা হয়, ইউনিভার্সিটিগুলোতে ২৩ শতাংশ নারী কোনো না কোনভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন।

ইউনিভার্সিটি অব লোয়া এর গবেষকরা এখান একটি পরীক্ষা দিয়েছেন। এর মাধ্যমে বুঝতে পারবেন কোনো নারী যৌন আকর্ষণ অনুভব করছেন কিনা তা আপনি নিজে কিভাবে বিবেচনা করছেন।

এই নারী কি নেতিবাচক, সামান্য নেতিবাচক, সামান্য ইচ্ছুক, নাকি ইচ্ছুক?

গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা ৪৯৬ জন পুরুষ এবং নারীকে এ ধরনের ১৩০টি ছবি দেখান। তাদের সবার বয়স ১৮-২৪ বছরের মধ্যে। মডেলদের দেহে বিভিন্ন ধরনের পোশাক ছিল এবং তাদের আচরণেও নানা বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে। এই নারীরা কে কতটা যৌন সম্পর্ক স্থাপনে ইচ্ছুক তা দেখতে বলা হয়। অর্ধেক সংখ্যক নারী-পুরুষকে মডেলদের মৌখিক ভঙ্গী ও পোশাক দেখতে বলা হয়।

সাইকোনমিক বুলেটিন অ্যান্ড রিভিউ’য়ে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে বলা হয়, যখন মডেলদের দৈহিক ও মুখের ভঙ্গী দেখতে বলা হয়, তখন যৌনতায় ইচ্ছুক মডেলদের খুঁজে নিতে ধারণা বদলে যায় অংশ নেওয়া নারী-পুরুষদের। তখন তারা আকর্ষণের ভিত্তিতে মডেলদের দেখেননি।

ইউনিভার্সিটি অব লোয়ার মনোবিজ্ঞানী টেরেসা ট্রিট জানান, যৌন নিপীড়ন একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার।

নারীদের যৌন আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে ভুল ধারণার কারণে অনেক সময় নিপীড়নের মাত্রা বেড়ে যায়। এ গবেষণায় মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে, নারীদের যৌন কামনা বুঝতে কোনদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। এর মাধ্যমে পুরুষরা বুঝতে পারবেন, কোন নারী যৌনকর্মের ইচ্ছা প্রকাশ করছেন না।