মেইন ম্যেনু

নিজের বাড়িকে ধুলোবালি থেকে দূরে রাখার উপায়

staub-in-der-wohnung-vermeiden

বাড়িতে ধুলো পরিষ্কার করতে একেবারে হিমশিম খেতে হয়। তার উপর শহুরে এলাকায় রাস্তার উপর বাড়ি হলে খাটনির শেষ থাকে না। সারাক্ষণ বাড়িতে ধুলো পরিষ্কার করতেই দিন কেটে যায়। ধুলোবালিতে বাড়ির চেহারা তো বদলে যায়ই, সেইসঙ্গে দেখা দিতে পারে নানা রোগ। অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্টের মতো গুরুত্বর সমস্যা হতে পারে। তাই আগে থেকেই আপনার বাড়িকে রাখুন ধুলোবালি মুক্তো। বাড়ি তৈরির সময় এই জিনিসগুলো মাথায় রাখুন, তাতে ধুলোবালি বাড়িতে কম ঢুকবে-

১. বাড়ি তৈরির সময় দেখবেন দেওয়ালের সঙ্গে জানালার ফ্রেমের মধ্যে যেন ফাঁক না রয়ে যায়। তার জন্য দেওয়ালের সঙ্গে জানালার ফ্রেম ভালো করে আটকানো দরকার। নয়তো জানালা বন্ধ করে রাখলেও ঘরে ধুলো ঢুকবে অনায়াসে।

২. জানালার সঙ্গে দরজার ফ্রেমের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। যাতে কোনও ফাঁকফোকর না থাকে। প্রয়োজনে দরজার সঙ্গে ফ্লাশ ডোর সাটার লাগিয়ে নিতে পারেন।

৩. বাড়িতে ধুলো ঢুকলে বাদ যায় না বাড়ির আলমারি, দেওয়ালের তাক। বিশেষ করে আলমারি যদি মেঝে বরাবর হয়, তবে তাতে ধুলো বেশি ঢোকে। তাই আলমারি তৈরির সময় মেঝে থেকে সামান্য উঁচুতে রাখুন। তাতে ধুলো কম ঢুকবে।

৪. ধুলো বসে ঘরের দেওয়ালেও। দেওয়ালে প্লাস্টার অফ প্যারিস পেইন্ট করিয়ে নিলে ভালো। দেওয়ালে ধুলো লেগে থাকবে না। দেওয়াল মসৃণ হলে ধুলো সহজেই ঝরে পড়বে।

৫. দরজায় চৌকাঠ থাকলে ঘরে ধুলোবালি কম ঢোকে। কিন্তু এখনকার যুগে শহুরে কায়দায় বাড়ি তৈরি হচ্ছে বেশি। তাই দরজায় চৌকাঠ এখন ওল্ড ফ্যাশন। বিশেষ করে ফ্লাট বাড়িতে তো দেখাও যায় না। কিন্তু পুরনো হলেও এই উপায়ে বাড়িতে ধুলোবালি ঢোকা রোধ করতে পারবেন।

৬. দেওয়াল ও মেঝের মধ্যেকার খাঁজে ধুলোবালি জমে ঘর খুব ময়লা দেখায়। আবার দেওয়ালে রং থাকার কারণে জল দিয়ে পরিষ্কারও করা যায় না। তাই সেই জায়গায় বেশি খাঁজ না রাখাই ভালো। প্লেন, সাদামাটা দেওয়াল হলে তা পরিষ্কার করতে সুবিধা।