মেইন ম্যেনু

নূর হোসেনের সম্পদের খোঁজে দুদক

nur hos

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের নামে-বেনামে প্রায় ৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। কিন্তু গত ১৩ ডিসেম্বর জমাকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৭৮ লাখ টাকার সম্পদ হিসাব দেখিয়েছেন তিনি।

তাই বাকি সেই সোয়া ৬ কোটি টাকার সম্পদ অনুসন্ধানসহ দুদকে জমাকৃত সম্পদ বিবরণী পর্যালোচনার জন্য নতুন করে দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি অনুসন্ধানী টিম গঠন করা হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে এসব অবৈধ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছিলেন উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।

বুধবার কমিশনের এক বৈঠকে নতুন এই টিম গঠনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। অনুসন্ধানী টিমে উপপরিচালক জুলফিকার আলী ও সহকারী পরিচালক সফিউল্যাহকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অনুসন্ধানী টিমটিকে বিধি মোতাবেক তার সম্পদ বিবরণী পর্যালোচনা করে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।দুদক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

দুদক সূত্র জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে নূর হোসেনের নামে-বেনামে প্রায় ৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়। তবে তিনি ভারতে পলাতক থাকায় এতোদিন সম্পদ বিবরণীর নোটিশ জারি করতে পারেনি দুদক। তাকে দেশে ফেরানোর পর গত নভেম্বর মাসে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-২ এর জেল সুপারের মাধ্যমে নূর হোসেনকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ ডিসেম্বর কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দুদকে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন নূর হোসেন।

দুদক এই নবগঠিত টিম এখন তার এ সম্পদের হিসাব যাচাই-বাছাই করে দেখবে। সম্পদের কোনো তথ্য গোপন করলে অথবা বিবরণীতে দেয়া তথ্যের বাইরে কোনো সম্পদ পেলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলেও জানায় সূত্রটি।

উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালের ট্রাক হেলপার নূর হোসেন ১৯৮৭ সালে ট্রাক ড্রাইভার, ১৯৯১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ২০১২ সালে সিটির কাউন্সিলর হন।

নারায়ণগঞ্জে ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিলে সংঘটিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নুর হোসেন দীর্ঘ দিন ভারতে পালিয়ে ছিলেন। অবশেষে আসামের বিদ্রোহী গোষ্ঠি আলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে ভারতের হাতে তুলে দেয়ার দুই দিন পরেই ফেরানো হয় নূর হোসনকে।