মেইন ম্যেনু

নোট বাতিল ইস্যুতে কেন্দ্রকে কড়া ভাষায় আক্রমণ মমতার

mamta-2

নোট বাতিল ইস্যুতে কেন্দ্রকে কড়া ভাষায় আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর৷ কেন্দ্রকে চাপে ফেলতে মঙ্গলবার ফের রাজধানী যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নোট বাতিলে ইস্যুতে দিল্লি থেকে ধীরে ধীরে ‘গো-বলয়ে’ অভিযান শুরুর পরিকল্পনা নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সোমবার কেন্দ্রকে আক্রমণ করে নবান্ন থেকে মমতার হুঁশিয়ারি, ‘‘আমরা কখনও কোন প্রধানমন্ত্রীকে এভাবে বিরোধী রাজনৈতিকদের হুমকি দিতে শুনিনি। প্রধানমন্ত্রীর আরও সংযত হওয়া উচিত৷ আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে হুমকি দিচ্ছেন৷ নিজের দলের নেতা-মন্ত্রীদেরও তিনি বিশ্বাস করেন না৷’’

আগেই নোট-বাতিল ইস্যুতে রাজ্যসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদে ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এবার নবান্ন থেকে নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতা করে নয়া আন্দোলন কর্মসূচির কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, নোট-বাতিল ইস্যুতে আগামী ২৩ নভেম্বর ব্লকে-ব্লকেও কর্মসূচি পালন করা হবে৷ এদিন মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়েদেন, ‘‘গত ১৩ দিনে গোটা দেশের এক বিশাল ক্ষতি হয়ে৷ জনগণের অসুবিধা হওয়ার কারণে আমরা আন্দোলনে যাচ্ছি৷ আগামী ২৯ নভেম্বর আমি লখনউ এ জনসভা করব। বিহারেও আমি জনসভা করব৷ পাঞ্জাবেও যাব৷ আগামীকাল আমি দিল্লি যাচ্ছি। আমি আবারও পথে নামব৷ আগামী ২৩-২৬ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিবাদে আমরা সারা বাংলা জুড়ে আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছি৷’’

জানা গিয়েছে, আগামীকাল দিল্লি যাচ্ছেন। যন্তরমন্তরে দলের ধরনা কর্মসূচি রয়েছে। ২৩-২৪-২৫ নভেম্বর তাঁর দিল্লিতে থাকার সম্ভাবনা। ২৯ তারিখ লখনউ যাচ্ছেন মমতা। তারপর ১ ও ২ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী বিহারে যাবেন। বিহারের পর পঞ্জাব যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

নোট-বাতিলের জেরে গ্রামের সাধারণ মানুষ দুরবস্থার অভিযোগ তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রাজ্যের বহুস্থানেই দুর্ভিক্ষের চেহারা নিয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন৷ তাঁর দাবি, রাজ্যকে যদি এই দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে তার পুরো দায় মোদী সরকারের। ফলে, অবিলম্বে নোট-বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুক কেন্দ্র৷

সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘যেভাবে নরেন্দ্র মোদী এককভাবে নোট-বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশবাসীকে না খেতে পেয়ে মারবার কৌশল নিয়েছেন৷ এটা কোনও ভাবেই সমর্থন করা যায় না।’’

অন্যদিকে, আজ নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিতে সংবদে সরব হন তৃণমূল সাংসদরা৷ “অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা” লেখা প্ল্যাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে তাঁরা “মোদী সরকার ফিনান্সিয়াল ইমার্জেন্সি বাপাস লো বাপাস লো”, “তানশাহী নেহি চলেগি”, “বিদেশ সে কালা ধন বাপাস লাও, বাপাস লাও” সহ একাধিক স্লোগান দিতে শুরু করেন।