মেইন ম্যেনু

পাকিস্তানি বাসে ভারতের পাল্টা হামলায় ১১ যাত্রী নিহত

ভারতীয় এক সেনার শিরশ্ছেদের একদিন পর সীমান্ত থেকে পাকিস্তানের ভেতরে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। বুধবার পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মিরের লাওয়াত এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের বাস লক্ষ্য করে ভারি গুলি বর্ষণ করেছে। এতে অন্তত ১১ পাকিস্তানি নিহত হয়েছে।

পাকিস্তানের জাতীয় দৈনিক ডন এক প্রতিবেদনে বলছে, একদিন নীরব থাকার পর বুধবার জম্মু-কাশ্মিরে বাসে ভারি গুলিবর্ষণ শুরু করেছে। এতে অন্তত ১১ জন নিহত ও আরো ১১ যাত্রী আহত হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী একটি অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি নিক্ষেপ করেছে; জম্মু-কাশ্মিরের লাওয়াত এলাকা থেকে স্থানীয়দের সরিয়ে নেয়ার সময় ওই অ্যাম্বুলেন্স ভারতীয় সেনার লক্ষ্য হয়েছে।

পাকিস্তানের নিলাম উপত্যকার পুলিশ সুপার জামিল মির ডনকে বলেন, লাওয়াত শহরে ক্ষুদ্র এবং বড় অস্ত্র থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের উপকূলে যাত্রীবাহী বাসে গুলি ছুঁড়েছে। এতে ৯ জন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতীয় হামলায় ৪ জনের মরদেহ ও আহত ১১ জনকে জেলার একটি হাসপাতাল নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওই বাসে এখনো ৫ জনের মরদেহ রয়েছে। এ ছাড়া নকিয়ালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পৃথক গুলিতে অারো এক পাকিস্তানি নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছে।

এদিকে, ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে বলছে, সীমান্ত-রেখার কাছে পাকিস্তানে ব্যাপক গোলাবর্ষণ শুরু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার সীমান্তে এক ভারতীয় সেনার শিরশ্ছেদ ও দুই সেনার প্রাণহানিতে পাকিস্তান জড়িত বলে অভিযোগ করেছে নয়াদিল্লি।

তবে ভারতীয় সেনা হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। পরে ভারতীয় সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে এ হত্যাকাণ্ডের জন্য কড়া শাস্তি পেতে হবে বলে হুমকি দেয়। এর পরের দিনই সীমান্তে পাকিস্তানের ভেতরে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে ভারত।

ভারতীয় সেনাবাহিনী বলছে, পুঞ্চ, রাজৌরি. কেল এবং মাচিলসহ দ্বিপক্ষীয় সীমান্ত এলাকা গোলাগুলির কারণে হট জোনে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে পুনরাবৃত্তিমূলক ঘটনার জন্য স্থানীয় সেনাদের জবাব যথেষ্ট নয় বলে ভারতীয় সেনাবাহিনী ইঙ্গিত দিয়েছে।

সূত্র : ডন, এনডিটিভি, এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।