মেইন ম্যেনু

পারফেক্ট গৃহিণী হতে চান? তাহলে এই কৌশলগুলো আপনার জন্য

indian-homemaker-in-kitchen

গৃহিণী হওয়াকে অনেকে সহজ কাজ মনে করেন। মনে করেন তাদের আবার কাজ কী? যে কেউ চাইলে গৃহিণী হতে পারেন। এটি একটি ভুল ধারণা। একজন গৃহিণীকে অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। ঘরে বাইরে অনেক কাজ করতে হয়। নানা ঝামেলার কারণে ইচ্ছা থাকার সত্ত্বেও সব সময় সব কাজ করা ঠিকমত হয়ে উঠে না। অনেক গৃহিণীরা মনে করেন ইস! আমার যদি ১০ টা হাত থাকতো তাহলে সব কাজ সুন্দরভাবে করতে পারতাম। কিছু কৌশলে আপনি হয়ে উঠতে পারেন পারফেক্ট গৃহিণী।

১। মনস্থির করুন

আপনি কী হতে চান, কী করবেন সেটা আগে মনস্থির করে নিন। আপনি একজন পারফেক্ট গৃহিণী হতে চান এটা আগে ঠিক করে নিন। “সবকিছুর আগে পরিবার তারপর আপনার অন্য কাজ”- এই কথাটি মনে গেঁথে নিন। তারপর আপনার সারাদিনের পরিকল্পনাগুলো করুন। এতে কাজগুলো করা সহজ হবে।

২। রান্না শিখুন

আপনি হয়তো ভাল রান্না করতে পারেন, তবুও রান্না শিখুন। নতুন নতুন রান্না শিখুন। প্রচলিত আছে “পুরুষদের মনের রাস্তা পেট হয়ে যায়”। আপনি যদি আপনার সঙ্গীর মন জয় করতে চান, তবে নতুন নতুন রান্নার বিকল্প নেই।

৩। একটি লিস্ট তৈরি করুন

প্রতিদিনকার কাজের লিস্ট তৈরি করে নিন। রান্না করা, পরিস্কার করা, কেনাকাটা এমনকি বাচ্চাদের ঘুরতে নিয়ে যাওয়াসহ সকল কাজের একটি লিস্ট তৈরি করে নিন। আপনার যদি নতুন বিয়ে হয়ে থাকে তবে, কী কী কাজ করতে হবে এবং কী কী কাজ আপনি শিখতে আগ্রহী তার একটি লিস্ট তৈরি করে নিতে পারেন। এটি আপনাকে কাজের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে আপনার কাজকে সুন্দরভাবে সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করবে। কাজের সময় নির্দিষ্ট করে নিতে পারেন। যেমন আপনি ঠিক করে রাখতে পারেন ১৫ মিনিটে শোবার ঘরটি গোছাবেন। এতে কাজ করা সহজ হবে সাথে সময় ম্যানেজ করা হয়ে যাবে।

৪। ঘর গোছানো এবং পরিষ্কার

আগোছালো এলোমেলো ঘর কোন মানুষ পছন্দ করে না। আর ঘর প্রতিনিয়ত আগোছালো হয়। বিশেষ করে ঘরে যদি কোন বাচ্চা থাকে তবে তো সেটি আরও বেশি হয়ে থাকে। ঘরের কোন জিনিসটি কোথায় রাখবেন তা আগে পরিকল্পনা করে রাখুন। ঘরে আগোছালো হওয়ার সাথে সাথে দ্রুত ঘর গুছিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন। এতে করে কাজ জমে থাকবে না।

৫। নিজেকে সময় দিন

সংসারের শত কাজের ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা বেশ কঠিন। কিন্তু শত কাজের ভিড়ে নিজের জন্য কিছু সময় বের করে নিতে হবে। একজন পারফেক্ট গৃহিণী ঘরের সব কাজ করে নিজের জন্য কিছু সময় বের করে রাখেন। দিনে কিছুটা সময় নিজেকে দিন। ত্বকের যত্ন করুন বা চুলের যত্ন। সম্ভব হলে কোন পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করে আসতে পারেন। মনে রাখবেন আপনি যদি সুস্থ সুন্দর থাকেন, তবে আপনার পরিবারও সুস্থ সুন্দর থাকবে। তারা আপনার উপর নির্ভরশীল।

৬। ইতিবাচক থাকুন

আপনি সব সময় ইতিবাচক মত পোষণ করুন। কারণ আপনার কাছ থেকে অন্যরা অনুপ্রাণিত হবে। তাই আপনাকে নেতিবাচক মনোভাব দূর করতে হবে।

৭। ভালোবাসুন

আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসার পাশাপাশি আপনার সঙ্গীর পরিবারকেও ভালোবাসুন, সম্মান করুন। দেখবেন কাজ করা অনেক সহজ হয়ে গেছে আপনার জন্য।