মেইন ম্যেনু

পাশে বসিয়েই মমতাকে অবিস্মরণীয় জবাব মোদীর, সাক্ষী কলকাতা! দেখুন ভিডিও

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার বলছেন, গোটা দেশের গ্রামীণ এলাকায় এখনও সেভাবে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা উন্নত হয়নি। ফলে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের যৌক্তকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও গ্রামীণ এলাকায় ব্যাঙ্কিং পরিষেবার অভাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনেই সরব হয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সুযোগ পেয়েই অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে জবাব দিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাও আবার এই বাংলাতেই। প্রধানমন্ত্রীর সেই জবাব শুনে হাসিতে ফেটে পড়েছিলেন উপস্থিত দর্শকরাও!

ঠিক কী হয়েছিল? তখনও নোটবাতিলের মতো কোনও বিষয় ঘটেনি। ক্ষমতায় আসার পরেই জনধন অ্যাকাউন্ট খোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন মোদী। সেই সময়েই অটল পেনশন স্কিম-সহ তিনটি বিমা প্রকল্পের উদ্বোধনে ২০১৫ সালে কলকাতায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কলকাতায় সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষণ দিতে ওঠেন। উঠেই তিনি রাজ্যে ব্যাঙ্কিং পরিষেবার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার এত বছর পরেও বাংলায় সাড়ে তিন হাজার পঞ্চায়েতের মধ্যে এক হাজার পঞ্চায়েতে কোনও ব্যাঙ্কিং পরিষেবা নেই। সব গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে যাতে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পৌঁছয়, তা নিশ্চিত হওয়া উচিত।’

axz

মমতার ভাষণের পরেই বক্তব্য রাখতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উঠেই তিনি বলেন, ‘মমতাজি বললেন, ভারতের গ্রামগুলিতে ব্যাঙ্ক নেই। এটা নিশ্চয়ই গত ষাট বছরের সমস্যা। আমি খুশি, উনি এটা আমার সামনে বললেন কারণ মমতাজি জানেন যে, একমাত্র আমিই এই সমস্যার সমাধান করতে পারি।’

প্রধানমন্ত্রীর এই কটাক্ষে দৃশ্যতই অস্বস্তিতে পড়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর গোটা প্রেক্ষাগৃহ তখন হাততালিতে ফেটে পড়েছে। যেভাবে মুখ্যমন্ত্রীর পাতা ফাঁদে পা না দিয়ে তাঁকেই জবাব দেন মোদী, তা শুনে দর্শকরা হাসিও চাপতে পারেননি। বিরোধীদের বরাবরই নিজস্ব কায়দায় জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। নোট বাতিল বিতর্কেও তাঁর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কথার লড়াই জমে উঠেছে। কিন্তু বছর দেড়েক আগে কলকাতায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটির সাক্ষী যাঁরা ছিলেন, তাঁদের অনেকেরই এখন মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর জবাবের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।সূত্র : এবেলা