মেইন ম্যেনু

পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে ধর্মঘট প্রত‌্যাহার

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং পেট্রোল পাম্প ও ট্যাং ক লরি মালিকরা।

রোববার (৩০ অক্টোবর) থেকে এ ধর্মঘট হওয়ার কথা ছিল। গত ২৬ অক্টোবর এ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো।

শনিবার বিকেলে এক বৈঠকে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতারা।

এর আগে বিকেলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কার্যালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং আন্দোলনকারী দুই সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক হয়।

বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়েদুল কাদের; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, পেট্রোল পাম্প অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাসুদ খান, সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর, বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি নাজমুল হকসহ দুই সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যা সোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক তাদের কর্মসূচি প্রত্যারহারের কথা সাংবাদিকদের জানান।

তিনি বলেন, ‘সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সড়ক ও জনপথের জমির মাশুল নিয়ে আমাদের মাঝে যে সমস্যা হয়েছিল, সেটির সমাধানের জন্য একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। সেই কমিটি সুপারিশ তৈরির সময় পর্যন্ত যে হারে মাশুল দেওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো সমস্যা হলে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিজে এটি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। এজন্য আমরা তার কাছে চির কৃতজ্ঞ।’

এদিকে ও ট্যাংক লরি মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের একজন নেতা জানিয়েছেন, বৈঠকে দুই মাসের সময় নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরেকটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, দুই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে, এমন আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ইজারা মাসুল বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের অভিন্ন দাবিসহ সিএনজি স্টেশনের তিন দফা এবং পেট্রোল পাম্প মালিকেদের ১২ দফা দাবিতে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ৩০ অক্টোবর ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালনের কথা ছিল।