মেইন ম্যেনু

প্রেমিক বা প্রেমিকার জন্মদিন শীতকালে? জেনে নিন তাঁর গোপন কথা

wert

সদ্য প্রেমে পড়েছেন আর জেনেছেন শীতেই আপনার বিশেষ বান্ধবী বা বন্ধুটির জন্মদিন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গ্রহ-তারা যেমন নির্ধারণ করে জাতকের ভাগ্য, তেমনই কোন ঋতুতে জন্মদিন জানা থাকলে সেই সঙ্গে জানা যেতে পারে জাতকের স্বভাবও। প্রথম আলাপে বা প্রাথমিক প্রেমপর্বে প্রত্যেকেই নিজের খুঁটিনাটি দিকগুলো চেপেই যান। আবার অনেকে নিজেই জানেন না, কী কী গোলমেলে স্বভাব তিনি বহন করে চলেছেন। জ্যোতিষ বা কোনও অধিবিদ্যা নয়, রীতিমতো গবেষণা করেই দেখা গিয়েছে, শীতে জন্মদিন, এমন মানুষ কিছু টিপিক্যাল স্ব-ভাব বহন করেন।

•  নোৎরদাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদরা দেখিয়েছেন, ১৯৮৯ থেকে ২০০১ পর্যন্ত সময়ে শীতকালে জাত শিশুদের একটা বড় অংশ সমাজের তথাকথিত পিছিয়ে থাকা বর্গ থেকে আগত। এর কারণ হিসেবে তাঁরা জানিয়েছেন, এয়ার কন্ডিশনারহীন পরিবারগুলিতে গ্রীষ্মে যৌনমিলনের হার কম। এর কারণ অবশ্যই আবহাওয়া। তাই বসন্তে যাঁরা সন্তান ধারণের উদ্দেশ্যে মিলিত হয়েছেন, তাঁদের সন্তান জন্ম নিচ্ছে শীতে। পারিবারিক অভাববোধ সঞ্চারিত হতেই পারে এমন জাতকদের মধ্যে।

• হার্ভার্ড এবং কুইনসল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখাচ্ছেন, শীতের জাতকরা সাধারণত বেশ বড়সড় হয়ে জন্মায়। ৭ বছর বয়সের মধ্যেই তারা রীতিমতো হোমরা চোমরা আকৃতির হয়ে ওঠে। সেক্ষেত্রে তাদের যৌবনপ্রাপ্তিও আগেই ঘটে। আর সে কারণে তাদের মানসিকতাও বয়সের তুলনায় পরিণত হয়।

• মানসিকতা পরিণত মানেই যে তারা বুদ্ধিমান, এমন কথা কিন্তু বলছেন না গবেষকরা। তবে, পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে শীতের জাতকরা ভালই আইকিউ সম্পন্ন।

• কুইনসল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দেখাচ্ছে, শীতের জাতকরা স্বভাব-মধুর হয়ে থাকে। এর কারণ তাদের পরিণত মানসিকতা।

•  শীতের জাতকরা পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না। সে কারণে তাদের মধ্যে ভিটামিন ডি-র অভাব থাকে। প্রায়শই হাড়ের অসুখে ভুগতে থাকে তারা।

• সূর্যালোকের অভাবহেতুই শীতের জাতকরা নাকি খানিকটা অবসাদগ্রস্ত হয়ে থাকে। তবে এ-ও ঠিক, এই অবসাদগ্রস্ততা থেকেই তারা বিভিন্ন সৃজনশীল কাজও করে থাকে বলে জানাচ্ছেন মনোবিদরা।