মেইন ম্যেনু

ফের জোরাল বিস্ফোরণ ৯/১১-তে!

২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের নয় তারিখ বিশ্ববাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে। বছরের নবম মাসের এগারো তারিখের সেই দিনটি ৯/১১ নামেই পরিচিত। আমেরিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় তারিখ লেখার ক্ষেত্রে প্রথমে মাস তারপরে দিন এবং সব শেষে বছর লেখা হয়। সেই কারণেই নিউ ইয়র্কের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কার্যালয়ের বহুতল ধ্বংসের দিনটি ৯/১১ নামে প্রসিদ্ধ।

দেড় দশক পড়ে আবারও একটা স্মরণীয় ৯/১১ দেখতে পেল বিশ্ববাসী। এখানে অবশ্য তারিখ লেখার নিয়ম একটু ভিন্ন। প্রথমে দিন তারপরে মাস। সেই অনুযায়ী ২০১৬ সালের একাদশতম মাস নভেম্বরের নয় তারিখ। যেদিন থেকে ভারতে নিষিদ্ধ হয়ে গেল ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট। যার জেরে গভীর সমস্যার মুখে দেশবাসী। সকলেই জানে এই সমস্যা সাময়িক। তবুও ১৫ বছর আগের স্ট্যাচু অব লিবার্টির শহরের সেই আচমকা সন্ত্রাসবাদী হামলার মতোই এদিন হাই ভোল্টেজ ঝটকা খেল সাধারণ মানুষ। শুধু এম আদমির কথা বললে হয়তো সত্যের অপলাপ করা হবে, কারণ জাল নোটের কারবারিরাও ঝটকা খেয়েছে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোদীর ঘোষণায়। দেশের সাধারণ মানুষের থেকে এদের ব্যথাটা অনেকটাই বেশি। ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিল। শুধু তাই নয়, বাজার থেকে সম্পূর্ণভাবে উঠে যাচ্ছে ১০০০ টাকার নোট এবং বদলে যাচ্ছে ৫০০ টাকার নোটের নকশা। এটা জাল নোট কারবারের জগতে সন্ত্রাসবাদী হামলার থেকে এক মিলিমিটারের এক হাজার ভাগের থেকে এক চুলও কম নয়। তাদের ডেরায় শত্রু শিবিরের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক বললেও যে ভুল হবে না তা বলাই বাহুল্য।

এখানেই শেষ নয়। ভারতের ৯/১১-র নোটের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মার্কিন মুলুক। এই দিনেই অর্থাৎ বুধবারেই হবে আমেরিকার চূড়ান্ত পর্বের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। দীর্ঘ বিতর্কের পর কার দখলে যেতে চলেছে হোয়াইট হাউস! সেই জল্পনারও অবসান ঘটবে সেই ৯/১১ তেই। তবে তারিখটা মার্কিনি নয়, ভারতীয় স্টাইলে। তবে এটা ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদ কিনা জানা নেই।