মেইন ম্যেনু

ফেসবুকে ‘পোক’ ফিচারটি ঠিক কী? না জেনে করা মারাত্মক বিপজ্জনক

poke

যাঁরা ফেসবুক ব্যবহার করেন তাঁরা সবাই কম বেশি ‘পোক’ ফিচারটির সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু এর সঠিক ব্যবহার অনেকেরই অজানা।

ফেসবুক এই মুহূর্তে সবথেকে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া। এর মধ্যে রয়েছে অনেক অপশন। তার অনেকটাই বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর অজানা। আর সেটা ঠিক মতো জানা না থাকায় অজান্তেই বিপদ ডেকে আনেন অনেকে।

অনেকেই ‘পোক’ মানে মনে করেন, কউকে বিরক্ত করা বা গুঁতো মারা। যেটা একদমই ঠিক নয়। ‘পোক’ফেসবুকের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। আসলে ‘পোক’ করে অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়। আপনি যদি কাউকে ‘পোক’করেন আর আপনি যাঁকে ‘পোক’ করলেন সে যদি ‘পোক ব্যাক’ করে তাহলে আপনি তাঁর ফেসবুক প্রোফাইল এবং পেজ তিন দিনের জন্য দেখতে পারবেন।

অনেকে এটা ভাবতেই পারেন যে অন্যের ফেসবুক পেজ তো এমনিতেই দেখা যায়। কিন্তু না, এটার দরকার রয়েছে অন্য একটি কারণে। মনে রাখা দরকার, আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট-এ নেই এমন কারও সম্পর্কে তথ্য দেখে নেওয়া কখনও কখনও সম্ভব নয়। যদি কেউ তাঁর তথ্য ‘পাবলিক’ না করে ‘অনলি ফর ফ্রেন্ডস’ করে রাখেন তবে সেটা বন্ধু না হলে দেখা সম্ভব নয়।

ধরা যাক, এমন কেউ যে আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট-এ নেই কিন্তু তাঁকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে বলে তাঁর সম্পর্কে আপনি তথ্য জানতে চাইলেও তা ‘পাবলিক’ করা না থাকায় আপনি তা জানতে পারছেন না। এই রকম পরিস্থিতিতে তাঁর সম্পর্কে তথ্য পেতে হলে একটাই উপায়। তাঁকে ‘পোক’ করুন। আর তিনি যদি আপনাকে ‘পোক ব্যাক’ করেন তবে আপনি তিন দিনের জন্য তাঁর প্রোফাইল দেখতে পারবেন এবং দেখে আপনার পরিচিত হলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবেন।

এবারে বিষয়টা উল্টো দিক থেকে ভাবুন। আপনি যদি নিজের তথ্য ‘পাবলিক’ না করে ‘অনলি ফর ফ্রেন্ডস’ করে রাখেন এবং আপনাকে কেউ ‘পোক’ করতেই তাঁকে ‘পোক ব্যাক’ করে দেন তবে ওই ব্যক্তি তিনদিনের জন্য আপনার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য পেয়ে যাবেন।

এবার থেকে তবে ‘পোক’ বা ‘পোক ব্যাক’ ভেবেচিন্তে করুন।