মেইন ম্যেনু

বক্তব্যের সুযোগ পাননি দেশের রাজনৈতিক দলের নেতারা

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিলে শনিবার (২২ অক্টোবর) বিদেশি অতিথিরা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বক্তব্যের সুযোগ পেলেও মহাজোটের শরীকসহ উপস্থিত বাংলাদেশের অন্য রাজনৈতিক দলের কোনো নেতাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

সম্মেলন উদ্বোধনের পর অভ্যর্থনা কমিটির আহ্বায়ক নাসিমের বক্তব্যের পর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। তার বক্তব্যের পরই কাউন্সিলে উপস্থিত বিদেশি অতিথিরা বক্তব্য দেন। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার ঝেং জিয়াওজংয়ের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিদেশি অতিথিদের বক্তব্য পর্ব শুরু হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে ভারতের আসাম রাজ্যের দুইবারের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল কুমার মহান্তের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিদেশি অতিথিদের বক্তব্য শেষ হয়।

এর মধ্যে ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, কানাডা, ইতালি, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

তাদের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ড. হাছান মাহমুদ সম্মেলনে উপস্থিত বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের ধন্যবাদ জানান। তবে সময়ের স্বল্পতার কারণে কাউকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে দুঃখ প্রকাশ করেন।

এরপর বক্তব্য শুরু করেন দলটির সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশের অন্য দলগুলোর নেতাদের মধ্যে সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারা সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ জাতীয় জোটের প্রধান ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, মহাজোটের শরীক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, জাসদ (রব) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, জাতীয় পার্টি (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান ও বর্তমান সভাপতি মুজাহিদুল সেলিম প্রমুখ।

তবে দেশের অন্যতম প্রধান দল বিএনপির কোনো প্রতিনিধি আওয়ামী লীগের সম্মেলন যোগ দেননি। জাতীয় সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।