মেইন ম্যেনু

বাংলা ছবিতে এবার রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার

image-5

বাংলায় পরপর থ্রিলার তৈরি হলেও, ভ্যাম্পায়ার ফিল্ম একেবারেই নতুন জঁর। দেবারতির কথায়, ‘‘হলিউড কিংবা অন্যান্য বিদেশি ছবিতে ভ্যাম্পায়ার জঁর খুব কমন। বাংলায় তো বটেই, এদেশে কোনও ভ্যাম্পায়ার ফিল্ম হয়েছে বলে জানা নেই।’’ পুরনো বাংলা ছবি ‘কুহেলি’র সঙ্গেও দেবারতির ছবির কোনও মিল নেই।

অমৃতা আর সায়ক লন্ডন থেকে কলকাতায় চলে আসে পাকাপাকিভাবে। তারা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থাকে। কারও সঙ্গে তেমন মিলমিশ নেই। সেই কারণে তাদের ঘিরে ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দাদের বেজায় কৌতূহল। অমৃতা আর সায়ক বাড়ির বাইরে খুব একটা বেরোয়ও না। বেরলেও সন্ধের পর। এদের নিয়ে আগ্রহের পাশাপাশি ফ্ল্যাটের আরেক বাসিন্দা রোমিলা দেবীকে নিয়েও নানা রকম চর্চা চলতে থাকে। যে পেশায় ট্যারো কার্ড রিডার।

অমৃতা-সায়ক যে সময়টায় কলকাতায় আসে, তখনই শহর জুড়ে সিরিয়াল কিলিং শুরু হয়। খুন করার পর দেহ থেকে সব রক্ত সিরিঞ্জ দিয়ে বার করে নেয় খুনি। মিডিয়া ঘটনাটাকে ‘ভ্যাম্পায়ার কিলিং’ নাম দেয়। পুলিশ তদন্ত করতে নেমে দিশেহারা। জানা যায়, এই রকম ঘটনা সত্তরের দশকে নকশাল আমলে ঘটেছিল। কিন্তু সে সময় কোনও কিনারা না করে কাণ্ডগুলো নকশালরা করেছে এই রকম একটা তত্ত্ব দিয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়। পুলিশের সন্দেহ তন্ত্র-মন্ত্রের কাজের সঙ্গে যুক্ত কেউ বা কারা খুনগুলো করছে।

অমৃতা-সায়কের সঙ্গে ভ্যাম্পায়ার কিলিং কোথায় যুক্ত কিংবা কারা ঘটাচ্ছে, সেই রহস্যটা ফাঁস করতে চাইলেন না পরিচালক। বললেন, ‘‘ছবিটা ভ্যাম্পায়ার থ্রিলার। তাই পুরোটা বলে দেওয়া যাবে না। গল্পে কিন্তু রোম্যান্টিক অ্যাঙ্গেলও আছে।’’

অমৃতার চরিত্রটা করছেন পূজারিনি ঘোষ। সায়কের চরিত্রে ইন্দ্রাশিস রায়। দেবারতির দাবি, বাংলা ইন্ডাস্ট্রি নতুন একটা রোম্যান্টিক জুটি পেতে চলেছে। ছবিতে ট্যারো কার্ড রিডারের চরিত্রে রয়েছেন চান্দ্রেয়ী ঘোষ।

ভ্যাম্পায়ার-থ্রিলার এবং রোম্যান্টিক অ্যাঙ্গেল ‘টোয়াইলাইট সাগা’তেও দর্শক দেখেছেন! যদিও তাঁর ছবির সঙ্গে ‘টোয়াইলাইট’এর মিল নেই বলে জানালেন দেবারতি। তাঁর কথায়, ‘‘বিদেশের ভ্যাম্পায়ার ছবিতে যেভাবে খুনগুলো দেখানো হয়, ‘কুহেলি’ তার চেয়ে অনেকটাই আলাদা।’’