মেইন ম্যেনু

বাতিল ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোটগুলি কী করবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক?

image

ভারতের বাজারে যে বিপুল সংখ্যক নোট চালু ছিল, তার মোট পরিমাণ সাড়ে সতেরো কোটি টাকারও বেশি। গত ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণা করার পরে এই নোটের ৮৬ শতাংশই কাগজের টুকরোয় পরিণত হয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হিসেব অনুযায়ী, বাজারে মোট ৯০২৬.৬ কোটি নোট চালু ছিল। তার মধ্যে ২৪ শতাংশ বা ২২০৩ কোটি নোট ছিল ৫০০ এবং ১০০০ টাকার। হিসেব মতো বাতিল এই নোট রিজার্ভ ব্যাঙ্কে ফেরত যাওয়ার কথা। প্রশ্ন হল, বিপুল সংখ্যক এই বাতিল নোট নিয়ে আরবিআই কী করবে?

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ইস্যু অফিসগুলিতে এই বাতিল নোটগুলি জমা পড়বে। এর পরে আরবিআই-এর কারেন্সি ভেরিফিকেশন অ্যান্ড প্রসেসিং সিস্টেম(সিভিপিসি)-তে বাতিল ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোটের পরীক্ষা হবে। নোটের পরীক্ষা করার জন্য ২০০৩ সালে আরবিআই-এর প্রাক্তন গভর্নর বিমল জালান এই সিভিপিসি মেশিন বসিয়েছিলেন। এই মেশিনে ঘণ্টায় ৬০ হাজার নোট গোনা এবং আসল কিনা তা পরীক্ষা করা যায়। এর পরে আসল এবং নকল নোটগুলিকে আলাদা করে দেয় এই যন্ত্র। নকল নোটগুলিকে ছিঁড়েও দেয় এই যন্ত্র।

আর যে নোটগুলি আসল, সেগুলিকে ফের নতুন নোট তৈরির কাগজ হিসেবে কাজে লাগানো হবে। তার জন্য পুরনো ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোটগুলিকে নতুন নোটের মাপে কাটা হয়।

এই নোটের টুকরোগুলিকে শিল্পক্ষেত্রে জ্বালানী হিসেবে অনেক সময় ব্যবহার করা হয়। তার জন্য নোটের টুকরো নিলামও করে আরবিআই। শুধু তাই নয়, বাতিল নোটের টুকরোগুলি পেপার ওয়েট, ক্যালেন্ডার এবং ফাইল তৈরির কাজে লাগানো হয়। ২০০১ সালের আগে পর্যন্ত বাতিল এবং জাল নোট পুড়িয়ে নষ্ট করে ফেলা হতো। কিন্তু এখন পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় বলে টাকার নোট এখন আর পোড়ানো হয় না।