মেইন ম্যেনু

‘বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনলে হাসি পায়’

বিএনপির নেতাদের ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আজ তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনলে হাসি পায়।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বুধবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের মূলতবি যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন। এর আগের দিন মঙ্গলবার টুঙ্গিপাড়ায় নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি শেষ না করে মূলতবি ঘোষণা করা হয়েছিল। যা আজ সন্ধ্যায় গণভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

শেখ হাসিনা সভায় বলেছেন, ‘আজকে কাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনি? যাদের জন্ম হয়েছে ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে। এ দেশের নির্বাচনকে যারা কলুষিত করেছে। আজ তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনে হাসিই পায়।’

শেখ হাসিনা সভায় নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘রাজনীতি নিজের জন্য না, রাজনীতি করতে হবে পরের জন্য। দেশের জন্য। দেশের মানুষের জন্য। মানুষের কল্যাণে। দেশের মানুষের জন্য কাজ করাই আওয়ামী লীগের একমাত্র লক্ষ্য।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের উন্নয়নটা হবে তৃণমূল পর্যায় থেকে, একেবারে গ্রামের মানুষ আমাদের কাছে প্রাধান্য পাচ্ছে এবং পাবে। বাংলাদেশের একটা মানুষও গৃহহারা থাকবে না, ক্ষুধার্ত থাকবে না। একটা মানুষও বিনা চিকিৎসায় রোগে ধুঁকে মরবে না। কোনো মানুষ নিরক্ষর থাকবে না। বাংলাদেশকে আমরা সেইভাবে গড়ে তুলব।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের কার্যনির্বাহী সংসদের ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘এই দেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। এ জন্য আপনাদের জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে এবং গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে। তবে এরই মধ্যে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি বলেই জঙ্গি দমন করতে পেরেছি। কিন্তু এটা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ, বিভিন্ন সময়ে নানা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বাংলাদেশের মানুষ।’

সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে অবরোধের সময় যারা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে তাদের বিচার হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘বিএনপি নেতাদের নামে কোনো মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়নি। শত শত নিরীহ মানুষকে তারা আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। যারা এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের বিচার অবশ্যই বাংলাদেশের মাটিতে হবে। তাদের বিচার হতেই হবে।’

ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য একটি রূপরেখাও দলের নেতাদের কাছে চেয়েছেন শেখ হাসিনা।

যৌথসভায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের বেশির ভাগ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।