মেইন ম্যেনু

বিদেশে গিয়ে মোটা টাকা আয় করার স্বপ্ন দেখছেন? তার আগে এই খবর পড়ুন

মালিক মাইনেও দিচ্ছে না, আবার দেশেও ফিরতে দিতে রাজি নয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে শেষ কয়েকদিন ধরে খাবারও জুটছে না। এমনকী পরিবারকে খাওয়ানোরও পয়সা নেই। সৌদি আরবে চাকরি করতে গিয়ে এমনই আতান্তরে পড়েছেন এক ভারতীয় যুবক। কর্নাটকের উত্তর কন্নড় জেলার বাসিন্দা ওই যুবক সাহায্য চেয়ে জেলা পুলিশের এবং জেলা প্রশাসনের কাছে তাঁকে সাহায্য করার জন্য গত শনিবার হোয়াটসঅ্যাপে কাতর আবেদন জানিয়েছেন। এর পরেই স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই যুবক এবং তাঁর পরিবারকে উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকের খবর অনুযায়ী, ইমতিয়াজ শেখ সর্দার নামে ওই যুবক সৌদি আরবে গাড়ি চালান। তাঁর অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে তাঁর নিয়োগকারী তাঁকে মাইনে তো দিচ্ছেই না, উল্টে দেশে ফেরার চেষ্টা করলেও তাঁকে আটকে দিচ্ছে। ২০১৪ সাল থেকে সৌদি আরবে কর্মরত ওই যুবকের কাছে একটি কানাকড়িও নেই। ফলে, তিনি এবং তাঁর পরিবার গত গয়েকদিন ধরে কার্যত অনাহারে রয়েছেন। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে শুধুমাত্র নিজের পাসপোর্ট নম্বর পাঠিয়েছিলেন ওই যুবক। সৌদি আরবে তাঁর নিয়োগকর্তা এবং বর্তমান ঠিকানা জানানোর জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই যুবককে অনুরোধ করা হয়েছে।

কর্নাটকের উত্তর কন্নড় জেলাতেই গত তিন মাসে এই নিয়ে সৌদি আরবে চাকরি করতে গিয়ে বিপাকে পড়ার তিনটি অভিযোগ পেল জেলা প্রশাসন। প্রত্যেকেই নিয়োগকারীর অত্যাচার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরার জন্য নিজেদের জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। ইমতিয়াজের মতো হাজার হাজার ভারতীয় এই মুহূর্তে সৌদি আরবে চাকরি করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় পড়েছেন। কারও মাইনে ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না, কারও আবার পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে রেখে দিয়েছে নিয়োগকারীরা। গত সাড়ে তিন বছরে সৌদি আরবে কর্মরত ভারতীয়দের থেকে এই সংক্রান্ত এগারো হাজারেরও বেশি অভিযোগ পেয়েছে বিদেশমন্ত্রক। তবে শুধু সৌদি আরব নয়, পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কর্মরত ভারতীয়দের থেকে এই ধরনের অভিযোগের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।