মেইন ম্যেনু

বিরক্তিকর নাক ডাকার সমস্যা সমাধান করে ফেলুন ৮টি উপায়ে

zzz1

ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। আপাতদৃষ্টিতে এই সমস্যাটাকে মারাত্নক মনে না হলেও, এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর। নাক ডাকার এই সমস্যাটি অনেক সময় হৃদরোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই সময় থাকতে নাক ডাকা নিয়ে সচেতন হওয়া উচিত। জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তন আর কিছু কাজ আপনাকে এই বিব্রতকর সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। নাক ডাকা সমস্যা দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায় নিয়ে আজকের এই ফিচার।

১। একপাশ হয়ে ঘুমান

যদি আপনার চিত হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস থাকে তবে আজই তা পরিবর্তন করুন। চিত হয়ে ঘুমালে আপনার জিহ্বা, ঘাড়, চিবুক সব একসাথে এক দিকে থাকে। এতে করে ঘুমের সময় সব টিস্যু এক স্থানে জমা হয় যা আপনার শ্বাস প্রশ্বাসে বাঁধা সৃষ্টি করে। এবং নাক ডাকার উদ্ভব হয়।

২। মধু চা পান

গলায় প্রদাহজনিত সমস্যার কারণে কফ জমা হয়, যার কারণে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা সৃষ্টি হয়। যা থেকে নাক ডাকার উৎপত্তি হয়ে থাকে। মধু প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক কাপ মধু চা পান করুন। নাক ডাকা অনেকটা কমে যাবে।

৩। ব্যায়াম করুন

ব্যায়াম নাক ডাকার সমস্যা কিছুটা হলেও কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন হালকা কিছু ব্যায়াম করুন। এটি স্বাভাবিক উপায়ে আপনার নাক ডাকার সমস্যা দূর করে দেবে।

৪। ধূমপান ছাড়ুন

গবেষণায় দেখা গেছে নাক ডাকার আরেকটি কারণ হলো ধূমপান। ধুমপানের ফলে দেহে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে বাতাস বের হওয়ার পথ সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে নাক ডাকার সৃষ্টি হয়।

৫। ওজন হ্রাস

নাক ডাকার পিছনে অতিরিক্ত ওজন অন্যতম একটি কারণ। ঘাড়ের কাছে জমা চর্বি আপনার শ্বাস প্রশ্বাসে বাঁধা সৃষ্টি করে। এর ফলে শ্বাস প্রশ্বাসের সময় ঘর্ষণ লাগে। ওজন হ্রাস করুন, দেখবেন নাক ডাকা অনেকটা কমে গেছে।

৬। নির্দিষ্ট সময় ঘুমানোর অভ্যাস করুন

ঘুমের সময়টি নির্দিষ্ট রাখুন। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এটি আপনার ঘুমের সম্যসা দূর করার সাথে সাথে আপনার নাক ডাকাও বন্ধ করতে সাহায্য করবে।

৭। একের অধিক বালিশ ব্যবহার করুন

মাথার নিচে কয়েকটি বালিশ দিয়েও নাক ডাকা কমানো যেতে পারে। মাথার নিচে বালিশ দিলে বুকের চেয়ে মাথা বেশি উঁচুতে থাকে। এতে করে নাক ডাকার আশঙ্কা কিছুটা কমে যায়।

৮। মদ্যপান বন্ধ করুন

আপনার যদি মদ্যপানের অভ্যাস থাকে, তবে তা দূর করুন। মদ্যপান আপনার পেশি শিথিল করে দেয় যা আপনার শ্বাসনালী বন্ধ করে শ্বাস প্রশ্বাসে বাঁধা সৃষ্টি করে। যা থেকে নাক ডাকার উৎপত্তি হয়।