মেইন ম্যেনু

বিশ্বের সবচেয়ে কৃপন দেশ চীন!

Pic shows: Jobless and homeless come together to beg from templegoers.

It’s not exactly the Beggar’s Banquet but every year thousands of homeless and unemployed come together to take advantage of well-wishers offering gifts, food and money in an age old tradition.

As part of a celebration to mark the birthday of Ksitigarbha Buddha, otherwise known as Yama, the Chinese King of Hell, tens of thousands of locals flock to a temple in the town of Dali, in south-west China’s Yunnan Province, to bring offerings to the spirits of the dead.

For believers the day, which falls on the 28th day of the third month of the Chinese lunar calendar, sees Yama open the gates of Hell so that the living can worship the dead.

The worshippers bring rice, chicken, fruit, wine and tea to the temple which they believe will please the spirits.

But they also give generously to the beggars, believing that it will bring them luck and good karma for doing a good deed.

Local woman Lien Ni, 54, said: "The occasion is very important for us and we celebrate it with firecrackers and songs.

"Over the years the beggars have started gathering here too as they can get lots of freebies which they wouldn’t ordinarily get.

"We call it the Beggars’ Conference as they not only take from us but also swap items with each other."

The annual get together, which fell on May 16 this year, also coincides with a centuries old tradition where beggars used to meet up to take part in marital arts competitions.

In ancient Chinese novels, gangs of roaming beggars known as Beggar Gangsters, congregated on Dali to take part in the fights.

Homeless man Yi Liao, 45, said: "It’s a nice story but today we don’t do martial arts.

"We meet, chat, and get well fed by the kindly temple visitors.

"They are happy, we are happy and the spirits of the dead are happy."

(ends)

সম্প্রতি একটি জরিপে চীনকে বিশ্বের সবচেয়ে কৃপন দেশ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর মিয়ানমারের মানুষ সবচেয়ে বেশি দানশীল।

সিএএফ ওয়ার্ল্ড গিভিং ইনডেক্স এই জরিপ পরিচালনা করে।

নতুন এই জরিপে দাবি করা হচ্ছে যুদ্ধবিধ্বস্ত হলেও ইরাকের মানুষ অচেনা মানুষের সঙ্গে সবচেয়ে দয়ালু আচরণ করে।

জরিপে বলা হয়, গত মাসে ইরাকে প্রতি দশ জন মানুষের আটজন অন্তত একজন অপরিচিত লোককে সাহায্য করেছেন।

লিবিয়ার মানুষও অচেনা মানুষকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে একই রকম উদারতার পরিচয় দিয়েছেন।

আর গত মাসে মিয়ানমারে ৯১ শতাংশ মানুষ দান করেছেন জনকল্যাণে।

দানশীলতার দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ। গত মাসে ৬৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মানুষকে সাহায্য করতে দান করেন।

মিয়ানমার অবশ্য এ নিয়ে পরপর তিন বার দানশীলতার দিক থেকে প্রথম স্থানে আছে।

সেখানে থেরাভেদা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী মানুষ বৌদ্ধ ভিক্ষুদের সাহায্য করতে যে দান করে, সেটাই এর কারণ বলে মনে করা হয়।

দানশীলতার দিক থেকে ইউরোপে এক নম্বরে আছে ব্রিটেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, আফ্রিকায় কেনিয়া এবং লাতিন আমেরিকায় গুয়াতেমালা।

তবে প্রতিটি দেশে মাত্র এক হাজার লোকের ওপর জরিপের ভিত্তিতে এই ফল পাওয়া গেছে। তাই জরিপের ফল নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, স্বীকার করছে জরিপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান।

ইরাক এবং লিবিয়ার মানুষকে যে অপরিচিত মানুষের প্রতি সবচেয়ে দয়ালু বলে বর্ণনা করা হচ্ছে, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

কারণ এই দুটি দেশেই একদম অপরিচিত মানুষকে সাদর আতিথেয়তার দেয়ার ঐতিহ্য আছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।