মেইন ম্যেনু

বৃহস্পতি থেকে ভেসে এল রহস্যময় শব্দ!

1477792165

নাসার জুনো স্পেসক্রাফটটি বৃহস্পতিকে প্রথমবার পূর্ণ প্রদক্ষিণ করতে গিয়ে এই রহস্যময় শব্দের মুখোমুখি হয়েছে। কীসের শব্দ? জেনে নিন…

ভারতের মতো বৃহস্পতিরও মেরু আলো রয়েছে যাকে বলা হয় অরোরা বা মেরু আলো। মেরু আলো কী? ছোটবেলার পাঠ্যপুস্তকের সংজ্ঞা যদি মনে না থাকে তবে এক ঝলকে দেখে নিন নাসার সহজ ব্যাখ্যা সোলার স্টর্ম বা সৌরঝড়ের সময় প্রচুর সৌরকণিকা পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র বরাবর নেমে আসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে। তখন বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের সঙ্গে সংঘর্ষে উৎপন্ন হয় যে আলো তাই হল অরোরা।

উত্তর মেরুতে এই আলো ‘অরোরা বোরিয়ালিস’ এবং দক্ষিণ মেরুতে এই আলো ‘অরোরা অস্ট্রালিস’ নামে পরিচিত।

এমনই অরোরা রয়েছে বৃহস্পতিরও নাসা-র জুনো এয়ারক্রাফট এখন বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রদক্ষিণ করছে বৃহস্পতিকে। সেই সময়ই মহাকাশযানে ধরা পড়ে ওই গ্রহের অরোরা বিচ্ছুরণ। বৃহস্পতির এই অরোরা তার আগেই ধরা পড়েছিল নাসার হাবল টেলিস্কোপে। সেই বিচ্ছুরণকে সাউন্ড ওয়েভে পরিবর্তিত করার পরে অদ্ভুত একটি শব্দের সম্মুখীন হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ভৌতবৈজ্ঞানিক কারণেই যে এই শব্দের উৎপত্তি সে নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু শব্দটি এমন যে মনে হয় যেন গ্যাস-নির্মিত বৃহস্পতি গ্রহটি যেন মানুষের পৃথিবীর সঙ্গে কথা বলতে চাইছে, মজা করে এমনটাই বলেছেন বিজ্ঞানী বিল কুর্থ।

বৃহস্পতির এই অরোরা সৌরমণ্ডলে বৃহত্তম বলেও জানা গিয়েছে। কিন্তু সূর্য থেকে ৭৭৮.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বৃহস্পতির চৌম্বকক্ষেত্রের আয়ন এবং ইলেকট্রনগুলি কীভাবে উজ্জীবিত হচ্ছে, সেটা এখনও বিজ্ঞানীরা বুঝে উঠতে পারেননি। আশা করা যায় অদূর ভবিষ্যতে সেই রহস্যের সমাধান হবে।-এবেলা