মেইন ম্যেনু

বেরোবিতে কর্মকর্তার বিচার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ-মানববন্ধন

15139360_1617757225196925_1762231351_n

বেরোবি প্রতিনিধি: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় কক্ষ পরিদর্শক গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষিকা তাসনিম হুমাইদার সাথে অসদাচরণের অভিযোগে এক কর্মকর্তার বিচারও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঐ বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।

রোববার সকালের দিকে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় ।

এ মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড:মো:নজরুল ইসলাম স্যারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন একই বিভাগে সহকারী অধ্যাপক তাবিউর রহমান প্রধান,ঐ বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো:মনোয়ার হোসাইন,দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী রায়হানুল ইসলাম,তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী শিহাব উদ্দীন, চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী মারুফ ভূইয়া এবংপঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী মারিয়া খাতুন প্রমুখ।

বক্তব্যে তাবিউর রহমান প্রধান বলেন,বিশ্ব মানের যে বিদ্যালয় সেটাই তো বিশ্ববিদ্যালয়।আর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা শিক্ষক তারা সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী-কর্মকর্তার কাছে শিক্ষক এবং শিক্ষাথীরা প্রতিনিয়ত লাঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তিনি আরও বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী-কর্মকর্তার সাথে কি এমন আচরণ করা হয়েছে যে তারা অসদাচরণমূলক আচারণ করে?এছাড়া তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,আমরা আন্দোলন করবো, আমাদের দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে।

আমরা এমন কোন কাজ করবো না যাতে অন্য কেউ কষ্ট পায়। বিভাগীয় প্রধান ড:মো: নজরুল ইসলাম বলেন,জমিতে আগাছা বেড়ে গেলে যেমন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।আর এ আগাছা সরানোর দায়িত্ব বর্তায় জমির মালিকের উপর।তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু আগাছা আছে,যেগুলো সরানোর দায়িত্ব উপাচার্য স্যারের।

আর যদি এ আগাছা সরানো না হয়।তাহলে এক আগাছা হতে, শত আগাছার জন্ম নিবে।তাই তিনি উপাচার্য স্যারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, উপাচার্য স্যার যাতে এ কর্মচারীর দ্রুত বিচার ও শাস্তির ব্যবস্থা করে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড:এ কে এম নূর-উন নবী স্যারের সাথে মুঠো কথা বললে।তিনি বলেন,আমার কাছে উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীরা আসছিল, আমি ওদের বলেছি যে আমি যত দ্রুত সম্ভাব এর ব্যবস্থা নিবো।

এ ছাড়া তিনি আরও বলেন,অভিযুক্ত কর্মচারীকে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সকল কাযক্রম হতে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল করে উক্ত বিভাগের সকল শিক্ষার্থীবৃন্দ।উক্ত মিছিলটি ক্যাম্পাস পরিদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের উত্তর গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকার চেষ্টা করলে গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে দক্ষিণ গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকার চেষ্টা করলে ঐ গেট ও বন্ধ করে দেওয়া হয়।শেষে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি উপাচার্য স্যারের সাথে দেখা করলে,তিনি ঐ কর্মচারীর বিচারও শাস্তির ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীদের কতৃক জানা যায়, উপাচার্য স্যার যদি এর যথার্থ ব্যবস্থা না নেয়।তাহলে,পরবর্তীতে তারা পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।