মেইন ম্যেনু

ব্যস্ততার মাঝেও স্বাস্থ্যকর খাওয়ার নিশ্চয়তা দেবে এই কৌশলগুলো

সময়ের অভাবে অনেকেই স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন না। অনেকেই ব্যস্ততার জন্য বাইরের খাবার কিনে খান। মাঝে মাঝে বাইরের খাবার খাওয়াই যায় কিন্তু তাই বলে সব সময় নয়। ব্যস্ত মানুষদের কম সময়ে খাবার তৈরির কৌশলের বিষয়ে জেনে নিই চলুন।

১। খাবারের পরিকল্পনা

খাবার প্রস্তুতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে খাবারের পরিকল্পনা করা। এজন্য একটি ফুড ক্যালেন্ডার তৈরি করুন। কেউ কেউ ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার এবং স্ন্যাক্স হিসেবে কী খাবেন তাও রুটিন করে রাখেন। যদিও এটা করা বেশ বিরক্তিকর মনে হতে পারে। তবে রাতে কী খাবেন তা অবশ্যই রুটিন করে রাখা উচিৎ। আপনি যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি বেলার খাবার গ্রহণ করতে পারেন তাহলে খাদ্য প্রস্তুতে কম সময় ব্যয় হবে এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানগুলো যাতে থাকে সে বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

২। আগেই রান্না করে ফেলুন

রান্না করা খাবার ফ্রিজে ভালো থাকে অনেকদিন। তাই আপনি প্রায় এক সপ্তাহের খাবার রান্না করে রেখে দিতে পারেন। খাবার রান্না করে ঠান্ডা হতে দিন। তারপর বক্সে ভরে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। যেদিন খাবেন সেদিন বক্সটি বের করুন।

৩। রান্নার উপকরণ একত্রে রাখা

আপনি মাছ বা মাংসের যে খাবারটি প্রস্তুত করতে চান সেটি রান্না করতে যে উপাদানগুলো প্রয়োজন হয় তা পরিমাণ মত একসাথে একটি জিপলক ব্যাগে ভরে রাখতে পারেন। অর্থাৎ যদি মাংস রান্না করতে চান তাহলে মাংস ভালো করে ধুয়ে ও পানি ঝড়িয়ে নিন এবং মাংস রান্না করতে যা যা প্রয়োজন সে সব প্রয়োজনীয় উপকরণ একসাথে একটি জিপলক ব্যাগে ভরে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। যেদিন রান্না করবেন সেদিন সকালে প্যাকেটটি বের করে প্রেশার ক্রুকারে রাখুন ও রান্না করুন। এভাবে ৫-৬ দিনের খাবার প্রস্তুত করে রাখুন।

৪। স্ন্যাক্স প্রস্তুতি

ডিনারের মত স্ন্যাক্স তৈরি করে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। চিন্তা ভাবনা না করেই বিভিন্ন ধরণের স্ন্যাক্স গ্রহণ করলে অনেকেরই গ্যাসের সমস্যা হয়। তাই স্ন্যাক্স হিসেবে কি খাওয়া আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে তা আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন। জিপ লক ব্যাগে আপেল বা স্ট্রবেরি ভরে রাখুন। অন্য ব্যাগে কিছু বিস্কুট ও পনির নিয়ে রাখুন। যদি আপনি আগে থেকেই এভাবে খাবার প্রস্তুত করা অনুশীলন করেন তাহলে আরো ভালো ভাবে সমন্বয় করতে পারবেন। কাজে যাওয়ার সময় স্ন্যাক্সে পূর্ণ একটি ব্যাগ নিয়ে গেলেই চলবে।

৫। ফ্রিজটিকে গুছিয়ে রাখুন

খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে ফ্রিজের ব্যবস্থাপনা ঠিক না থাকা। ফ্রিজের বিভিন্ন অংশ সপ্তাহের একেক দিনের জন্য বরাদ্দ করুন। রবিবারে যে স্ন্যাক্স নিবেন তা জিপলক ব্যাগে ভরে একটি ঝুড়িতে রাখুন, সোমবারেটা আরেকটি ঝুড়িতে, এভাবে আলাদা আলাদা করে রাখুন।

খাদ্যের ব্যবস্থাপনা এভাবে করতে পারলে আপনার সময় বাঁচবে, টাকাও কম খরচ হবে এবং আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারবেন।