মেইন ম্যেনু

ব্রণমুক্ত মুখের জন্য

সুন্দর ও কোমল ত্বক কে না পেতে চায়। কিন্তু নানা কারণে মুখে ব্রণ এবং ব্রণের কারণে সৃষ্ট দাগের কারণে চেহারার সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। সেইসঙ্গে মুখের কোমলতা নষ্ট হয়ে যায়। ব্রণমুক্ত দাগহীন মুখ পেতে চাইলে ঘরোয়া উপায়ে কিছু যত্ন নিতে হবে। আর তাতেই আপনার মুখ থাকবে আপনার প্রত্যাশার মতোই উজ্জ্বল।

১০০ গ্রাম নিমপাতা ১ লিটার পানিতে ফুটিয়ে আধা লিটার করে ছেঁকে বোতলে ভরে ফ্রিজে রাখতে হবে। দিনে তিন থেকে চারবার তুলায় নিয়ে মুখে লাগালে উপকার পাবেন।

নিমপাতা, তুলসীপাতা, মুলতানি মাটি, অল্প পরিমাণ কর্পূর, লবঙ্গ ও চন্দন মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ২০-২৫ মিনিট রাখার পর ধুয়ে ফেলুন।

একটি ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম আলাদা করে নিন। সাদা অংশটি ভালো করে ফেটিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস, আধা চা চামচ মুলতানি মাটি মিশিয়ে নিন। চোখ ও ঠোঁট বাদ দিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

ব্রণ বড় ও ব্যথা হলে : ব্রণ বড় এবং ব্যথা হলে ফিটকারি পানিতে গুলে শুধু ওই অংশে লাগাতে হবে। অথবা রসুনের কোয়া থেঁতো করে হলুদের সঙ্গে মিশিয়ে শুধু ব্রণের ওপর দিনে ২-৩ বার লাগান। ব্রণ ও ব্রণজনিত লাল ভাব দূর করবে। ব্রণ অনেক দিনের হলে লাউয়ের ভেতরের সাদা অংশ পুড়িয়ে তার রস লাগালে উপকার পাবেন।

ব্রণের জন্য মুখে দাগ হলে :
প্রথমেই নিমপাতার পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। তারপর হালকা করে বরফ ঘষুন। দাগের জন্য টক দই, কেওলিন পাউডার এবং লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দাগে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।

১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া, ১ চা চামচ জায়ফল গুঁড়া ও ১ চা চামচ গ্রিন টি পেস্ট ভালোভাবে মিশ্রণ করে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। প্রয়োজনে অল্প পানিও মেশানো যেতে পারে। নিয়মিত ব্যবহার করলে মুখের কালো দাগ দূর হবে।

ব্রণের কারণে তৈরি হওয়া ছোট ছোট গর্তগুলো সহজে দূর হয় না। তবে পাকা পেঁপে চটকে গর্তগুলোতে লাগালে তা খানিকটা হালকা হতে পারে।