মেইন ম্যেনু

ভারত প্রতিমুহূর্তে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে আছে

2qqw

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যসভার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য অধ্যাপক প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘দরিদ্রতা কাটিয়ে ওঠার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোর পরিশ্রম করছেন। ভারতবর্ষ প্রতিমুহূর্তে আপনাদের পাশে দাঁড়িয়ে আছে, দাঁড়িয়ে থাকবে।’

শুক্রবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সার্কিট হাউস মিলনায়তনে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রদীপ ভট্টাচার্য।

আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিলে যোগদানের জন্য দলটির আমন্ত্রণে প্রদীপ ভট্টাচার্য ও ভারতের রাষ্ট্রপ্রতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ছেলে দেশটির লোকসভার সদস্য অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় বর্তমানে বাংলাদেশে। মানিকগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর সুভাষ সরকারের আমন্ত্রণে পৌরসভার পক্ষ থেকে আজ তাঁদের দুজনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। প্রদীপ ভট্টাচার্য কাউন্সিলর সুভাষ সরকারের বন্ধু।

এ সময় জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম, জাসদের সভাপতি ইকবাল হোসেন খানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মৈত্রীর বাঁকটা চিরকাল এক ছিল, আজও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের একটা আমূল পরিবর্তন হচ্ছে। আমি পরপর তিনবার বাংলাদেশে এসেছি। সম্ভবত ছয় মাস কি এক বছর পরপর। যতবারই এসেছি, ততবারই দেখছি বাংলাদেশকে। আমূল পরিবর্তন ঘটে গেছে। এবং এই ইকোনমিক গ্রোথ যত বাড়বে বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরের, গরিব মানুষের হাতে তত টাকা বেশি টাকা পৌঁছাবে। আর যত বেশি টাকা পৌঁছাবে দারিদ্র্য তত কমে আসবে। আর দারিদ্র্য যত কমে আসবে, শান্তিও তত স্ট্যাবলিশ হবে। দরিদ্রতার জন্য অনেক সময় হাঙ্গামা তৈরি হয়। সেই দরিদ্রটাকে কাটিয়ে ওঠার জন্য বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে পরিশ্রম করছেন আর ভারতবর্ষ প্রতিমুহূর্তে আপনাদের পাশে দাঁড়িয়ে আছে, দাঁড়িয়ে থাকবে।’

এর আগে বেলা সোয়া ১১টার দিকে দুই অতিথি মানিকগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর সুভাষ সরকারের বাসায় যান এবং সেখানে নাশতা করেন।

সেখানে অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নড়াইলে তাঁর নানার বাড়ি।

আর প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, তাঁর বাবাও দেশ বিভাগের আগে বাংলাদেশের ময়মনসিংহে সপরিবারে থেকে চাকরি করেছেন। দেশ বিভাগের পর ১৯৪৬ সালে তাঁরা সপরিবারে ভারতে চলে যান। বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁদের নাড়ির সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের অবস্থান ভারতীয়দের হৃদয়ে।

অন্যদিকে মানিকগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর সুভাষ জানান, অভিজিৎ ও প্রদীপ বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশংসা করে বলেন, অতি অল্প সময়ে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টর ভারতের চেয়েও এগিয়ে যাবে।

মানিকগঞ্জ সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠান শেষে প্রদীপ ভট্টাচার্য ও অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়কে হেলিকপ্টারে করে গাজীপুর নিয়ে আসেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। দুপুর সোয়া ১টার দিকে হেলিকপ্টার গাজীপুর জেলা শহরের শহীদ বরকত স্টেডিয়াম পৌঁছালে জেলা প্রশাসক এস এম আলম ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট ওয়াজউদ্দিন মিয়া তাঁদের স্বাগত জানান। পরে সেখান থেকে তাঁরা গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসায় যান এবং দুপুরের খাবার সারেন।