মেইন ম্যেনু

মাধুরীরর কাছে সবচেয়ে রোমান্টিক পুরুষ কে?

madhuri-dixit-9

দাম্পত্য জীবনের ১৭ বছর পার হলো গত মাসেই। দুই সন্তানের মা তিনি। আমেরিকার ডেনভারে সাজিয়েছেন সংসার। তবে বলিউডকেও ছাড়েননি। ছবিতে অবশ্য অনিয়মিত, একটি টিভি চ্যানেলের নৃত্য প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানের বিচারক তিনি। সেই মাধুরী কলকাতার একটি গণমাধ্যমকে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন স্বামী শ্রীরামই তার কাছে সবচেয়ে রোমান্টিক মানুষ।

মাধুরী বলেন, শ্রীরামের (‌‌নেনে)‌‌ সঙ্গে প্রথম যখন আলাপ হয়েছিল তখন ওর যে ব্যাপারটা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছিল তা হলো বলিউডের নায়িকা হিসেবে আমার যা কিছু পরিচিতি সে সম্পর্কে ও বিশেষ কিছুই জানত না। আগ্রহও দেখায়নি। তখনই অনুভব করেছিলাম আরে আমিও তো এমন একজনকেই চেয়েছিলাম। যে কল্পনার জগতে বিচরণ না করে আমাকে রক্তমাংসের মানুষ হিসেবেই চিনবে। বুঝবে।

বিয়ের সময় ওর পেশা নিয়ে আমিও যেমন বিশেষ আগ্রহ দেখাইনি, তেমনিই শ্রীরামও আমাকে বুঝতে চেয়েছে মন থেকে। একটা কথা বলতেই পারি আমরা দুজনেই দাম্পত্য জীবন নিয়ে খুব খুশি। আগে আমরা দুজন ছিলাম এখন যোগ হয়েছে ছেলেরা। ওদের নিয়েই অনেকটা সময় কেটে যায়।

আমাদের মানে আমার আর শ্রীরামের পৃথিবীটা একেবারে আলাদা। ভিন্ন দুই জগৎ বললেও অত্যুক্তি হয় না। চিকিৎসক আর অভিনেত্রী। একজনের কাজ নিঃশব্দে সমাজে নিজের অবদান রেখে যাওয়া। আর অন্যজন জনমানসে ঢেউ তুলতে পারলে তবেই লোকে তাকে সফল বলবে। কোথাও গিয়ে এই ধরনের মানুষরা মিলে যান একটা আলাদা রসায়ন তৈরি যে হয় মানতেই হবে।

আমেরিকার সংসার প্রসঙ্গে মাধুরী বলেন, যে কোনো সাধারণ মায়ের মতো সকাল থেকেই ব্যস্ততা। ভোরে ঘুম থেকে উঠে ছেলেদের স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি করানো। স্কুলে ছেড়েও আসতে হয় ওদের। আগে যখন বড়টা স্কুলে যেত ছোটটা আমার কাছছাড়া হতো না। মাঝেমাঝেই ওকে নিয়ে লাইব্রেরিতে যেতাম। বা কাছের কোনো পার্কে। এখনও যেমন বিকেল হলেই ওদের সাঁতার ক্লাসে নিয়ে যেতে হয়। ফুটবল মাঠেও। রাতের ডিনার খাওয়ার পর আমার ছুটি। ওদেরও। খুব ভোরে উঠতে হয় তো!