মেইন ম্যেনু

মাড়ি ফোলা কমানোর উপায়

home-remedies-for-swollen-gums-750x450

মাঢ়ীর ব্যথার কাতর। রয়েছে হাতের কাছে সহজ চিকিৎসা। বিভিন্ন কারণে মাঢ়ী ফুলে ব্যথা করতে পারে। দ্রুত আরামের জন্য রয়েছে নানান রকম ঘরোয়া পন্থা।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট অবলম্বনে এই পন্থগুলো জানানো হল। তবে মনে রাখতে হবে মাঢ়ী ফোলা ও ব্যথার জন্য অবশ্যই ডাক্তারের পরমর্শও নিতে হবে।

লবণপানি :

মাড়ির ফোলা দূর করতে লবণ হতে পারে একটি চমৎকার ঘরোয়া উপাদান। এটি মুখের ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে প্রতিরোধ করে এবং সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে।

নরম ব্রিসলের টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার পর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে লবণ লাগিয়ে ঘষুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ কুলি করে নিন। প্রতিদিন একবার এটি করুন।
আধা অথবা এক চা চমচ লবণ হালকা গরম পানিতে মেশান। মাড়ির ফোলা কমাতে দিনে দুবার এই পানি দিয়ে মুখ কুলি করুন।
হলুদ :

মাড়ির ফোলা দূর করতে হলুদও একটি ভালো ঘরোয়া উপাদান। এর মধ্যে রয়েছে কারকিউমিন। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান ব্যথা ও ফোলা ভাব কমাতে কাজ করে।

এক চা চামচের এক-চতুর্থাংশ হলুদের গুঁড়া নিন। গুঁড়ার মধ্যে সামান্য হালকা গরম পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
পরিষ্কার আঙুল দিয়ে এই পেস্ট মাড়িতে মাখুন। পাঁচ মিনিট রাখার পর আলতোভাবে এক মিনিট ম্যাসাজ করুন।
হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
প্রতিদিন দুবার করে এক থেকে দুই সপ্তাহ ব্যবহার করুন।
তেল ব্যবহার :

মাঢ়ী ফোলা ও অন্যান্য মুখের সমস্যার জন্য তেল ব্যবহার করা বেশ কার্যকর। এটি একটি পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত পদ্ধতি। এই সনাতন আয়ুর্বেদিক পদ্ধতি মুখের ভেতরের ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। এটি মুখের প্লাক দূর করতে ও মাঢ়ী সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

যোয়ান :

এতে আছে থাইমল যা অ্যানেস্থেটিক বা অনুভূতিনাশক আনতে পারে, অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল হিসেবে কাজ করে। এতে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্লামাটরি উপাদানও। যোয়ানের বীজ হালকা টালুন যেন সুগন্ধ বের হয়। এরপর এটি গুঁড়া করুন। এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা সরিষার তেল মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এরপর মাঢ়ীর উপরে লাগান। দশ মিনিট অপেক্ষা করার পর গরম পানি দিয়ে তা ধুয়ে ফেলুন।