মেইন ম্যেনু

মুক্তি পেলেন মাহমুদুর রহমান

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। কা‌শিমপুর কারাগার-২ এর জেলার না‌শির আহমেদ জানান, মাহমুদুর রহমানের মুক্তির কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ তা যাচাই-বাছাই করেছে। সব কিছু সঠিক থাকায় বুধবার দুপুর ১টায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের চেষ্টা এবং হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় ৩১ অক্টোবর মাহমুদুর রহমানের জামিন বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন।

এদিকে মাহমুদুর রহমানকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ১৮ সেপ্টেম্বর তার জামিন ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেন।

এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ মাহমুদুর রহমানকে জামিন দেন। হাইকোর্টের ওই আদেশের পর তার আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, মাহমুদুর রহমানের এখন মুক্তি পেতে বাধা নাই।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতা। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় দৈনিক যায়যায়দিনের সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমানকে গত ১৬ এপ্রিল গ্রেফতার করা হয়। পরে ১৮ এপ্রিল এ মামলায় ঢাকার সিএমএম আদালতে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তাকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত ২৫ এপ্রিল এ আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেন। ২৫ এপ্রিল পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মাহমুদুর রহমানের নামে এই মামলাসহ অন্তত ৭০টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্য মামলায় এর আগেই জামিন পান তিনি।