মেইন ম্যেনু

মুশফিককের হাতছানি ডাকছে বড় একটি মাইলফলক

ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের সামনে ঝুলছে বড় একটি মাইলফলক। তাকে রীতিমত হাতছানি দিয়ে ডাকছে এটি। গতকাল (রোববার) মিরপুর শের-ই-বাংলায় রোববার মুশফিকুর রহিম যে ঝড় তুলেছিলেন, সেই রেশ থেকে যাবে অনেকদিন।

রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে ৫২ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় মুশফিকের ব্যাট থেকে আসে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮১ রান।

অসাধারণ ইনিংস খেলে মুশফিক সাজঘরে ফিরেছেন অপরাজিত থেকে। তবে মাত্র ৫টি রান করতে পারলেই আজ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) এক হাজার রানের মাইলফলক ছুঁতে পারতেন মুশফিক।

সেই সুযোগটিও ছিল মুশফিকের। কেসরিক উইলিয়ামসের করা শেষ ওভারে মুশফিক খেলতে পেরেছেন মাত্র ১ বল! বাকি পাঁচটি বলই খেলেন থিসারা পেরেরা। ৫ বলে ১৩ রান নিলেও ওভারে দুটি বল ডট খেলেন শ্রীলঙ্কান এই অলরাউন্ডার। একটি বল মুশফিক খেলতে পারলে হাজার রানের মাইলফলকে হয়তো আজই পৌঁছে যেতেন বরিশাল বুলসের অধিনায়ক!

আজ না হলেও এবারের আসরে যে চার অঙ্কের ঘরে পৌঁছবেন মুশফিক তা নিশ্চিত করেই বলা যায়। কারণ ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। বরিশালের জার্সিতে ৩ ম্যাচেই মুশফিক করেছেন ১৬৪ রান। প্রথম ম্যাচে ৫০, এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৩ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেন ডানহাতি এই ব্যাটাসম্যান। তৃতীয় ম্যাচে করলেন ৮১ রান।

সব মিলিয়ে ৩৭ ম্যাচে ৩৪ ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রান ৯৯৫। গড় ৪১.৪৫। ৭৪টি বাউন্ডারির পাশাপাশি ৩২টি ছক্কাও হাঁকিয়েছেন মুশফিক। প্রথম আসরে মুশফিকুর রহিম খেলেছিলেন দুরন্ত রাজশাহীর হয়ে। ১১ ম্যাচে করেছিলেন ২৩৪ রান। দ্বিতীয় আসরে সিলেট রয়্যালসের হয়ে ১৩ ম্যাচে ৪৪০ রান। গত বছর তৃতীয় আসরে করেছিলেন সবচেয়ে কম রান। সিলেট সুপারস্টার্সের হয়ে ১০ ম্যাচে করেন মাত্র ১৫৭ রান।

তৃতীয় আসরের সর্বমোট রান এবার তিন ম্যাচেই অতিক্রম করেছেন মুশফিক! তার রানের চাকা এবার কোথায় গিয়ে থামে সেটাই দেখার বিষয়।