মেইন ম্যেনু

মৌসুম পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্থানান্তরিত হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ!

মৌসুম পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের ভূখণ্ডও কাৎ এবং স্থানান্তরিত হচ্ছে দৃষ্টিগোচরভাবেই। নতুন গবেষণায় এমনটাই দেখা গেছে। মহাদেশীয় এই আন্দোলন ঘটছে পৃথিবীজুড়ে পানি প্রবাহের মৌসুমি দিক পরিবর্তনের ফলেই।

পানি প্রবাহের এই দিক পরিবর্তনের ফলেই অস্ট্রেলিয়া মহাদেশেরও এই লক্ষণীয়, নির্ধারণযোগ্য ও বৃহদাকার অঙ্গবিকৃতি ঘটছে। বলেছেন গবেষণাটির নেতৃত্ব দানকারী অধ্যাপক শিণ চ্যান হান যিনি অস্ট্রেলিয়ার নিউ ক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগে কর্মরত আছেন।

গবেষণায় প্রাপ্ত নতুন এই তথ্য গবেষকদেরকে পৃথিবীর ভরকেন্দ্রটি ঠিক কোথায় তা হিসেব নিকাশ করে বের করতে সহায়তা করবে।
মৌসুমের সঙ্গে সঙ্গে স্থানান্তরণ হ্যান এবং তার সহকর্মীরা কী করে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এর চারপাশের পানি প্রবাহের গতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্থানান্তরিত হচ্ছে সে বিষয়টি আরো ভালো করে বুঝতে চেয়েছিলেন। যদিও পৃথিবী দেখতে একটি গোলকের মতোই মনে হয় এটি বাস্তবে একটু হেলানো। আর জলরাশির বিতরণের সঙ্গে এর মহাদেশীয় ভূখণ্ডগুলো এর ভরকেন্দ্র স্থানান্তরিত হচ্ছে।

বৈশ্বিক পানিপ্রবাহের গতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মহাদেশীয় ভূখণ্ডের স্থানান্তরিত হওয়ার বিষয়টি শনাক্ত করা গেছে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে। অস্ট্রেলিয়াজুড়ে স্থাপিত ১৪টি জিপিএস স্টেশন মহাদেশটি ঠিক কোন দিকে স্থানান্তরিত হচ্ছে তার চিত্র তুলে ধরে।

এতে দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয় গ্রীষ্মকালে (উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল) মহাদেশটি উত্তর-পশ্চিম দিকে এক মিলিমিটার স্থানান্তরিত হয়েছে। যার ফলে এর উত্তর-পূর্ব পার্শ্ব কিছুটা ভেসে উঠেছে। একই সময়ে মহাদেশটির বিপরীত কোন ২ থেকে ৩ মিলিমিটার জেগে উঠেছে। এর ছয় মাস পর অস্ট্রেলিয় শীতকালে এর বিপরীত প্রবণতা দেখা যায়। সূত্র: ফক্স নিউজ