মেইন ম্যেনু

যে খাবারগুলো থেকে আয়োডিন পেতে পারেন

iodine

থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য যে খনিজ উপাদানটি অত্যাবশ্যকীয় তা হচ্ছে আয়োডিন। শরীরের বৃদ্ধিও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড। আয়োডিনের ঘাটতির ফলে ক্লান্তি, ঝিমুনি আসা, উচ্চ কোলেস্টেরল, বিষণ্ণতা, থাইরয়েড গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণগুলো দেখা যায়। এছাড়াও আয়োডিনের ঘাটতির ফলে প্রেগনেন্সির সময়ে এবং শিশুর জন্মের সময়ও জিটিলতা দেখা দিতে পারে। একজন মানুষের দৈনিক ১৫০ মাইক্রোগ্রাম আয়োডিন গ্রহণ করা উচিৎ। যে খাবারগুলো আয়োডিনের উৎস সেগুলোর বিষয়েই জানবো এই ফিচারে।

১। শুষ্ক সামুদ্রিক শৈবাল

আপনি জেনে অবাক হবেন যে, সামুদ্রিক শৈবাল আয়োডিনে পরিপূর্ণ থাকে! তাই আয়োডিনের ঘাটতি পূরণে চমৎকার কাজ করে সামুদ্রিক শৈবাল। ৭ গ্রাম শুষ্ক সামুদ্রিক শৈবালে ৪,৫০০ মাইক্রোগ্রাম আয়োডিন থাকে।

২। হিমালয়ান সল্ট

হিমালয়ান সল্টে আয়োডিন যুক্ত লবণের চেয়েও বেশি আয়োডিন থাকে। অর্ধেক গ্রাম হিমালয়ান সল্টে ২৫০ গ্রাম আয়োডিন থাকে। তাই আপনার লবণ নির্বাচন করুন বুদ্ধিমত্তার সাথে।

৩। গলদা চিংড়ি

আয়োডিনের দৈনিক চাহিদার ৬৭% পূরণ করতে সক্ষম গলদা চিংড়ি। ১০০ গ্রাম গলদা চিংড়ি ১০০ গ্রাম আয়োডিন সরবরাহ করতে পারে।

৪। আলু

সিদ্ধ আলু শুধু আয়োডিনেই সমৃদ্ধ নয় বরং এর ক্যালরিও কম থাকে। মাঝারি আকারের একটি সিদ্ধ আলুতে ৬০ মাইক্রোগ্রাম আয়োডিন থাকে। আপনি কি জানেন আলু ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে?

৫। দুধ

দুধ ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস এটা আমরা সবাই জানি। এছাড়াও ১ কাপ দুধে ৫৬ মাইক্রোগ্রাম আয়োডিন ও থাকে। প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও আয়োডিনের উপকারিতা পাওয়ার জন্য প্রতিদিন ১ কাপ দুধ পান করুন।

৬। পাউরুটি

২ স্লাইস সাদা পাউরুটিতে ৪৫ মাইক্রোগ্রাম আয়োডিন থাকে যা দৈনিক চাহিদার ৩০% পূরণ করতে সক্ষম। তবে সাদা পাউরুটি যেহেতু পরিশোধিত ময়দা দিয়ে তৈরি হয় তাই এটি বেশি পরিমাণে না খাওয়াই ভালো।

৭। স্ট্রবেরি

আয়োডিনের আরেকটি সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর উৎস হচ্ছে স্ট্রবেরি। ১ বাটি স্ট্রবেরি খেলে ১৩ গ্রাম আয়োডিন পাবেন।

৮। সিদ্ধ ডিম

ভিটামিন এ, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ হওয়ায় সিদ্ধ ডিম একটি সম্পূর্ণ খাবার। তাই সকালে খেতে পারেন সিদ্ধ ডিম। ১ টি সিদ্ধ ডিমে ১২ মাইক্রোগ্রাম আয়োডিন থাকে।

৯। দই

১ বাটি দই কোষ্ঠকাঠিন্য মোকাবেলায় সাহায্য করে এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি কমায়। তবে মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত দই বাদ দিয়ে প্লেইন ইয়োগারট খেতে হবে। ১ কাপ দই এ ৯০ মাইক্রোগ্রাম আয়োডিন থাকে।