মেইন ম্যেনু

যে চায়ে ১ দিনেই সেরে যাবে খুসখুসে কাশি !

আবহাওয়া জানিয়ে দিচ্ছে আসছে শীতকাল, একই সঙ্গে কড়া নাড়তে শুরু করেছে নানা রোগ-বালাই। এসময় দেখা দেয় ত্বক ও শ্বসন তন্ত্রের বিভিন্ন জটিলতা।

জ্বর সর্দি ও ঠাণ্ডা কাশি কিছুদিনের মধ্যেই সেরে গেলেও জ্বালাতে থাকে শুকনো খুসখুসে কাশি। এটা সহজে সারতেও চায় না। এটা সত্যিই ভীষণ বিরক্তিকর।

চিকিৎসকের মতে, কাশি একটি সাধারণ রোগ। আমাদের সবার প্রায়শই বিভিন্ন সময়ে কাশি হয়ে থাকে। কাশি যেহেতু বিশেষ কোনও ব্যাধি নয় তাই আমরা এর জন্য কোনও প্রকার ওষুধ বা প্রতিকারক সেবন করি না। কিন্তু একটানা খুসখুসে কাশি খুব বিরক্তিকর। অনেক ক্ষেত্রে আবার কফ জমাট বেধে ভয়ানক কাশিও হয়।

সাধারণত ঠাণ্ডা ও ফ্লুয়ের কারণে কাশি হয়। তবে অ্যালার্জি, অ্যাজমা, এসিড রিফ্লাক্স, শুষ্ক আবহাওয়া, ধূমপান, এমনকি কিছু ওষুধ সেবনের ফলেও এ সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তবে একটু সচেতন হলে ওষুধ না খেয়েও এই শুকনো কাশি থেকেও রেহাই পাওয়া সম্ভব। চাপাতি ছাড়াও প্রাকৃতিক কিছু উপাদানের মিশ্রণে তৈরি চা পান করলে মাত্র এক দিনেই সেরে যাবে খুসখুসে কাশি!

তাহলে সময় নষ্ট না করে আসুন জেনে নিই সেই আজব চা তৈরির নিয়ম :

* এক চা চামুচ করে হলুদে এবং গোলমরিচের গুঁড়ো আধকাপ পানিতে জ্বাল দিন। কিছুক্ষণ পরে এতে একটি লবঙ্গ দিয়ে আরও দুই মিনিট জ্বাল দিন। প্রতিদিন এক টেবিল চামুচ মধু মিশিয়ে এ চা পান করুন।

* এক কাপ পানিতে সমপরিমাণ হলুদের গুঁড়ো এবং মৌরি দিয়ে হারবাল চা বানিয়ে দিনে তিনবার করে পান করলে উপকার পাওয়া যায়।

* খুসখুসে কাশি দূর করতে পেঁয়াজ খুবই কার্যকর। আধচামুচ পেঁয়াজের রস এবং এক চা চামুচ মধু এক সঙ্গে মিশিয়ে চায়ের মতো দিনে দু’বার করে পান করুন। পেঁয়াজের ঝাঁজ খুসখুসে কাশি কমাতে সহায়তা করবে।

* আদার অ্যান্টি ইনফ্লামেটরী উপাদান গলার অস্বস্তিকরভাব দূর করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক কাপ আদা চা পান করতে পারেন। এছাড়া এক কাপ পানিতে আদা কুচি জ্বাল দিয়ে দিনে ৩-৪ বার পান করে দেখুন, শুষ্ক কাশি কমে যাবে।

* প্রতিদিন ১-৩ বার এক টেবিল চামুচ করে বিশুদ্ধ মধু গ্রহণ করুন। সবচেয়ে ভাল হয় ঘুমানোর আগে এক চামুচ মধু খেয়ে নিলে। মধুর অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান কাশি প্রতিরোধে কার্যকর।

* রসুন খুসখুসে কাশি সারাতে দারুন কাজ করে। রসুনে থাকা এক্সপেকটোরেন্ট এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান কাশি উপশমে কাজ করে। এক চা চামুচ ঘিয়ে রসুনের পাঁচটি কোয়া কুচি করে হালকা ভেজে কুসুম গরম অবস্থায় খেয়ে নিন। ইউনিভার্সিটি অফ মারিল্যান্ড সেন্টার সিটিজের (University of Maryland Medical Center cites) এর মতে কাশি উপশমে রসুন অবশ্যই কার্যকর।