মেইন ম্যেনু

যে জিনিসটা ছাড়া ভাইফোঁটা হয় না, তারই জানা- অজানা কথা

মিষ্টি না হলে চলে। ভাইফোঁটা বলে কথা। ভাইদের বেস্ট মিষ্টি খাওয়াতে দোকানে ভিড় করেছেন বোনেরা। জোগান দিতে ঘাম ছুটছে দোকানীদের। তবু মিষ্টির সুখে সবারই মিষ্টিমুখ।

ভাইফোঁটায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছানা। বাঙালি সংস্কৃতিতে ছানার দোর্দণ্ডপ্রতাপ। বলতে গেলে মিষ্টি সাম্রাজ্যে দণ্ডমুণ্ডের কর্তা ছানাই। ছানা কিন্তু বয়সে বড় নবীন। মতিচুর কিম্বা সন্দেশ যেখানে হাজার বছরের ইতিহাসের কথা বলে, সেখানে মাত্র শখানেক বছর আগে ভাস্কোডাগামার হাত ধরে তার আগমন। বাঙালি জীবনের সুখ-অসুখের সঙ্গে ছানা কিম্বা ছানার মিষ্টি এখন নিত্য নৈমিত্তিক। সেই নিত্যতা কখনও রসগোল্লায়, কখনও লেডিকিনি, পানতোয়া,কখনও চমচম,কখনও রসমালাই-এ বাঙালিকে বোঝায় বেঁচে থাকার স্বাদ। যথারীতি উত্‍সবের মুহুর্তে হাপুসহুপুসের সেই স্বাদ বাটোয়ারায় জুড়ি নেই বাঙালির। যেমনটা করেছিলেন বর্ধমানের রাজা,লর্ড কার্জন আসবেন। বানালেন নতুন মিষ্টি। নাম হল সীতাভোগ।

উত্‍সব হলেই হল, মিষ্টির দোকানে ভিড়ে। এবার তো ভাইফোটা। অতএব দোকান উপচে পড়া ভিড়। রকমারি মিষ্টি -র স্বাদ নিয়ে প্রস্তুত ব্যবসায়ীরাও। কৃষ্ণনগরে সরপুরিয়া নদীয়া মাতিয়ে ভাইফাটায় মিষ্টির জৌলুস আনতে ট্রেনে চড়ে যাচ্ছে অন্যত্র। শুধু সরপুরিয়া কেন। ভাইদের পছন্দের মিষ্টি খাওয়াতে কতরকমের কত ধরণের মিষ্টির যে বেচাকেনা হচ্ছে তার ইয়াত্তা নেই।