মেইন ম্যেনু

রাতে ফল খেলে কমে পেটের মেদ!

হঠাৎ শরীর অনেক ভারী হয়ে গেছে, পেটে দেখা দিয়েছে মেদ। পছন্দের পোশাকটি পড়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তল পেটে মেদ দেখে লজ্জায় নিজেই মুখ সরিয়ে নিয়েছেন। ভাবছেন এই অস্বস্তিকর মেদ ঝরাবেন কীভাবে?

আজকাল কম-বেশি সবাই পেটে মেদ সমস্যায় ভুগছেন। পেটে মেদ জমা একটি অস্বস্তিকর ব্যপার। অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ফাস্ট ফুড, ফ্যাট জাতীয় খাবার এ সমস্যার জন্য দায়ী।

গবেষকদের মতে, পেটে মেদ জমার অনেক কারণ আছে যেমন : তলপেটে জমা গ্যাস, রাতে দেরি করে খাওয়া, কার্বোনেটেড পানীয়, কোনও দৈহিক কসরত না করা, ক্যালোরি যুক্ত খাবার খাওয়া এবং কম ঘুম।

তবে আপনি যদি মনস্থির করেই থাকেন মেদ কমাবেন, তাহলে একটু সতর্ক হোন। খাদ্য তালিকায় কম ক্যালোরি যুক্ত খাবার রাখুন। বিশেষ করে খাদ্য তালিকায় বেশি করে ফল ও শাক সবজি রাখুন।

রোজ এমন খাবার খাবেন যা সহজে হজম হয় এবং পেটে যেন কম গ্যাস সৃষ্টি হয়, একই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। এতে শরীরের আবর্জনা দূর হয় এবং মেদ জমতে পারে না।

তবে প্রতিদিন রাতে ভারী খাবার কম খেয়ে কিছু ফল খাওয়ার অভ্যেস করতে পারেন? এতে কমে যাবে অস্বস্তিকর তল পেটের মেদ। আসুন সেই ফলগুলোর নাম জেনে নিই :

তরমুজ : তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে।এছাড়া আছে এ্যামিনো এ্যাসিড, ভিটামিন এ ও সি।ওজন ঝরাতে এটা অন্যতম সেরা উপায়।রোজকার খাবারে তরমুজ খান, দেখবেন ওজন কেমন কমে।

পেঁপে : পেঁপেতে ফ্যাটের পরিমাণ কম।এতে যে এনজাইম থাকে তা হজমে সাহায্য করে এবং ফ্যাট ভাঙতে পারে, যার ফলে ওজন কমে।রোজ পেঁপে খেলে ১০ দিনে কোমরের মাপ কমবেই।

আনারস : আনারস এমন এক ফল যা পেটের মেদ কমাতে কাজ করে। এ ফলে ক্যালোরির মাত্রা কম। এটা শরীরের হজম পদ্ধতিতে সাহায্য করে এবং মেদও ঝরায়।

এ্যাভোকাডো : প্রচুর ফাইবার আছে এ্যাভোকাডোতে।এটি খেলে চট করে খিদে পায় না। মোনো-স্যাটিউরেটেড ফ্যাটি এ্যাসিড সাহায্য করে পেটের অংশে জমা মেদ কমাতে।

আপেল : আপেলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে।আপেল খেলে এমনিতে বেশ তৃপ্তি পাওয়া যায়।রোজ আপেল খেলে মেদ বাড়ে না এবং ভূঁড়িও কমে।

আঙুর : আঙুরও বেশ পেট ভর্তি হওয়ার অনুভূতি দেয়, কারণ আঙুর হজম ধীরে করে দেয়।আঙুরের রস আপনার শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে। এতে দিনে প্রায় ১০ পাউন্ড অবধি খাবার খাওয়া কমাতে পারে।

কলা : কলায় এমন কিছু এনজাইম আছে যা হজমে সহায়ক এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে।রোজ খাবারে কলা খেলে মেদ কমানোতে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়।