মেইন ম্যেনু

লাখ লাখ ভোটারের লিখিত আবেদন, প্রেসিডেন্ট হতে পারেন হিলারি!

ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করতে মার্কিন ইলেকটোরাল কলেজদের কাছে লিখিতভাবে কয়েক লাখ ভোটার আবেদন জানিয়েছেন।

শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ লাখেরও বেশি মার্কিনি ইলেকটোরাল কলেজদের প্রতি এই আবেদন জানিয়েছেন। রাজ্য অনুযায়ী ইলেকটরালের সংখ্যা নির্ধারিত হয় জনসংখ্যার ভিত্তিতে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভাবনীয় জয়কে সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না মার্কিনিরা। ইলেকটোরাল ভোটে ট্রাম্প বিজয়ী হলেও এখনো বাকি রয়েছে নির্বাচিত ইলেকটোরাল কলেজদের ভোট।

চেঞ্জ ডট ওআরজি সংগঠনের উদ্যোক্তা এলিজা বার্জ বলেন, যদি ইলেকটোরালগণ মনোনীত দলের বিরুদ্ধে গিয়ে ভোট দেয় তাহলে তাকে জরিমানা করা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে কিছু করার নেই, কারণ জনগণ পাগল হয়ে গেছে। ইলেকটোরাল কলেজ চাইলে এমনটি করতে পারেন, এক্ষেত্রে আইনে কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

একই ধরনের আবেদন জানিয়ে ফেইথলেসনাও ডট কমের পিটিশনে বলা হয়, ১৬০ জনেরও বেশি রিপাবলিকান ইলেকটরকে হিলারির পক্ষে ভোট দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। অ্যারিজোনা, আরকানসাস, জর্জিয়া, ইন্ডিয়ানা, আইওয়া, কানসাস, কেন্টার্কি, লুইজিয়ানা, মিসৌরি, নর্থ ডাকাটা, পেনসেলভেনিয়া, টেনেসিস, টেক্সাস, উটাহ এবং ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া।

উল্লেখ্য, মার্কিন সংবিধানের ২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ইলেকটোরাল কলেজের মাধ্যমে। দেশটিতে ইলেকটোরাল কলেজের ভোটের সংখ্যা সর্বমোট ৫৩৮টি। কোনো প্রার্থীকে নির্বাচনে জয়ী হতে হলে ৫৩৮টি ইলেকটোরাল ভোটের মধ্যে কমপক্ষে ২৭০টি পেতে হবে। নির্বাচনের দিন ভোটাররা ভোট দেন, কিন্তু প্রার্থীরা সরাসরি সে ভোট পান না। ভোট পড়ে তাদেরই মনোনীত ইলেকটোরাল কলেজের পক্ষে। পরবর্তী পর্যায়ে এই ইলেকটোরাল কলেজের মাধ্যমে আলাদাভাবে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

প্রত্যেক প্রার্থী নিজের অথবা তার দলের পছন্দ অনুযায়ী ইলেকটর মনোনয়ন দিতে পারেন। সাধারণত নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে এই মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়ে থাকে। একেক রাজ্যে ইলেকটোরাল কলেজের সংখ্যা একেক রকম।