মেইন ম্যেনু

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইতালি

d4c2f58e129ec57300d71a8f3c4e4ad1-itali

চার দিনের ব্যবধানে আবার কেঁপে উঠল ইতালির মধ্যাঞ্চল। আজ রোববার ভোরে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পটির তীব্রতা ৬ দশমিক ৬। যদিও মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা প্রাথমিকভাবে বলেছিল তীব্রতা ৭ দশমিক ১। পরে সংস্থাটি সংশোধন করে।

রয়টার্স জানায়, ভূমিকম্পে ভেঙে পড়েছে বহু ভবন ও ঐতিহাসিক গির্জা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

এএফপির খবরে বলা হয়, গ্রিনিচ মান সময় ৬টা ৪০ মিনিটে ছোট্ট শহর নোরচা থেকে ৬ মাইল উত্তরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। কিন্তু কেঁপে ওঠে রোম থেকে ভেনিস পর্যন্ত।

গত বুধবার রাতেও ইতালির মধ্যাঞ্চলের মাচেরাতা প্রদেশে প্রথম দফায় পাঁচ দশমিক পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। তখনই ওই এলাকা ছাড়তে শুরু করেন বাসিন্দারা। দুই ঘণ্টা পর আঘাত হানে ছয় দশমিক এক মাত্রার ভূমিকম্প। এরপরই সেখানকার নোরচা, ক্যাসতেলসানজেলো, প্রেচি ও ভিসো শহরগুলো অনেকটাই পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। কেননা লোকজন ভয়ে রাতে গাড়িতে ঘুমায় বা উপকূলীয় এলাকায় চলে যায়।

গত আগস্টে ওই এলাকার কাছেই ভূমিকম্পে প্রায় ৩০০ জন মারা গিয়েছিলেন।

পাহাড়ে ঘেরা গ্রাম উসিতার মেয়র মার্কো রিনালদি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সবকিছু ধসে পড়েছে। আমি শুধু ধোঁয়ার কুন্ডলী দেখলাম। এ এক দুর্যোগ, এ এক বিপর্যয়।’ তিনি বলেন, ‘আমি গাড়িতে ঘুমাচ্ছিলাম, জেগে দেখলাম নরক নেমে এসেছে।’

ইতালির সিভিল প্রোটেকশন বিভাগ জানায়, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলো জুড়ে তল্লাশি চলছে।

রয়টার্স জানায়, টেলিভিশনে ফুটেজে দেখা যায়, নোরচা শহরের প্রাণকেন্দ্র একটি গির্জা ধসে পড়েছে। এমনকি শহরটির বিভিন্ন অংশ এরই বন্ধ পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঐতিহাসিক সেন্ট বেনেডিক্ট গির্জা এবং টাউন হল ভবনগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।