মেইন ম্যেনু

শ্বশুরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় ছেলেকে খুন!

verenika

শ্বশুরের সঙ্গে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক ছিল ভেরোনিকা পানারেলো নামে নারীর। শ্বশুর-বউ নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক করতেন। একদিন মা ও দাদাকে শারীরিক মিলন অবস্থায় দেখে ফেলে ৮ বছরের ছেলে। তাদের সম্পর্কে কথা বাইরে প্রকাশ পেয়ে যাওয়ার ভয়ে বিদ্যুতের তারে পেঁচিয়ে ছেলেকে হত্যা করেন ভেরোনিকা। ইতালির আদালত ভেরোনিকাকে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে।

ইতালির সান্তা ক্রোস কামেলিনা শহরে ঘটে এই জঘন্য ঘটনা। ছেলেকে হত্যার কিছুদিনের মধ্যেই ঘটনা প্রকাশ হয়ে যায়। পুলিশ খুনের বিষয়টি জানতে পেরে ভেরোনিকার বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়ির পাশের একটি পুরোনো ড্রেন থেকে শিশুটির লাশ ‍উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভেরোনিকাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালত তাকে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। তবে তার শ্বশুরের বিষয়ে তেমন কিছু জানা যায়নি।

তবে আদালতে ছেলেকে খুন করার বিষয়টি অস্বীকার করেন ভেরোনিকা পানারেলো। তিনি জানান, শ্বশুরের সাথে তার সম্পর্ক আছে এটি সত্য। কিন্তু তিনি তার ছেলেছে খুন করেননি। তার ছেলেকে খুন করেছেন তার শ্বশুর। অর্থাৎ ছেলেটির দাদা।

ভেরোনিকার শ্বশুরও খুন করার বিষয়টি অস্বীকার করলে রহস্য ঘনীভূত হয়। অবশেষে আদালতে ভেরোনিকার অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয় এবং জানা যায়, তিনিই নিজের ছেলেকে খুন করেছেন।

প্রসিকিউটর মার্কো রোটা বলেন, ‘তিনি যে জঘন্য কাজ করেছেন তার জন্য আরো সাজা হওয়া দরকার। কিন্তু আমরাতো আইনের বাইরে যেতে পারি না। তাই আদালতের রায় আমাদের মেনে নিতে হবে।’