মেইন ম্যেনু

সন্ধ্যায় দ্বিতীয়বার আটক রাহুল, উত্তাল দিল্লি

একদিনে দু’বার আটক হলেন ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেস পার্টির সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী। বুধবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয়বার তাকে আটক করে পুলিশ। আটকের পর পুলিশ ভ্যানে করে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে দুপুরে আত্মঘাতী সেনাকর্মী রামকিষণ গাড়েওয়ালের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রথম দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের সামনে তাকে আটক করে পুলিশ।

পরে থানায় নেয়া হলে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে রাহুলকে চাপের মুখে ছেড়েও দেয় পুলিশ। জোর করে হাসপাতালে ঢোকার চেষ্টা করায় তাকে বাধ্য হয়েই আটক করা হয় বলে পুলিশের অভিযোগ। এসময় আটক হন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মানিষও।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, সন্ধ্যায় আটকের পর রাহুলকে মন্দির মার্গ থেকে কনটের পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। রাহুলকে দ্বিতীয়দফা আটকের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে থানার সামনে ভিড় করে দলের নেতাকর্মীরা। এসময় রাহুলকে মুক্তি অথবা তাদেরও আটকের দাবি জানায় তারা। পরে অবশ্য তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

‘এক পদ এক পেনশন’ নীতির দাবিতে মঙ্গলবার বিকেলে দিল্লির একটি পার্কের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন ভারতের সাবেক সেনাসদস্য রামকিষণ গাড়েওয়াল। বুধবার সকালে রামকিষণের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রাহুল হাসপাতালে যান। এসময় তার সঙ্গে কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতাও ছিলেন। আটকের পর প্রায় ৭০ মিনিট থানায় অবস্থান করেন রাহুল।

এদিকে একই কারণে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও এদিন পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। অপর একটি হাসপাতালে রামকিষণ গাড়েওয়ালের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হলে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে যান অরবিন্দ। এসময় অরবিন্দ তাকে আটকে দেয়ার জন্য প্রতিবাদ জানান। বলেন, আমার কাছে কি কোনো আগ্নেয়াস্ত্র আছে! তাহলে কেন রামকিষণের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হবে না!

এদিকে, আটক নাটকের বিষয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহের বক্তব্য হচ্ছে, সহিংস পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশের যা করণীয় তাই তারা করেছে। আর দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে টুইটার বার্তায় জানানো হয়েছে, হাসপাতালের সামনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে তারা এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন। হাসপাতাল রাজনীতির জায়গা নয় বলেও টুইটারে জানায় দিল্লি পুলিশ।