মেইন ম্যেনু

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৩৯৮ ফ্ল্যাট নির্মাণ হচ্ছে

সরকারি চাকরিজীবীদের ঢাকা শহরে আবাসন সমস্যা অত্যন্ত প্রকট। মাত্র ৯ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তারা আবাসন সুবিধা পাচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৩৯৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানীর গুলশান, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরের ২০টি পরিত্যক্ত বাড়িতে এসব ফ্ল্যাট নির্মিত হবে। এতে ব্যয় হবে ৩৬৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ সংক্রান্ত এক প্রকল্প উপস্থাপন করা হতে পারে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

কমিশন সূত্র জানায়, গুলশানে ১০তলা ভবনে ১৮টি ফ্ল্যাট, ধানমন্ডিতে ১৩তলা ভবনে ৪৮টি ফ্ল্যাট, মোহাম্মদপুরে ১৩তলা ভবনে ৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। এছাড়া পাঁচ হাজার ১৮৩ দশমিক ৯৬ বর্গমিটার অভ্যন্তরীণ রাস্তা, তিন হাজার ৫৭৪ দশমিক ৬১ রানিং মিটার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং পানি সরবরাহ ও বিদ্যুতায়ন করা হবে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৩৯৮ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিবারকে আবাসন সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রকল্পটি সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

সূত্র জানায়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে আবাসন পরিদফতর চাহিদা অনুযায়ী আবাসন সমস্যা সমাধান করতে পারছে না। ফলে বাধ্য হয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের অধিকাংশ তাদের ক্ষমতার বাইরে অধিক মূল্যে ব্যক্তি মালিকানাধীন নিম্নমানের ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন। এতে তাদের অর্থনৈতিক ও বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, যা তাদের কর্মদক্ষতাকে হ্রাস করছে। ঢাকা শহরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা এক লাখ ৪৮ হাজার ৯১৫ জন, এর মধ্যে এক হাজার ৩৫২টি সরকারি আবাসনের ব্যবস্থা আছে।

সরকারি আবাসন পরিদফরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা শহরে সরকারি আবাসন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ফ্ল্যাট সংখ্যা বিদ্যমান ৩৫ হাজার ২৪৪টিতে উন্নিত করা হবে। এর মধ্যে হতে ২০১৭ সালের মধ্যে ১৬ হাজার ৯৬৮টিতে এবং ২০১৯ সালের মধ্যে ১৮ হাজার ২৭৬টিতে উন্নীতকরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।