মেইন ম্যেনু

সহকর্মীর সাথে প্রেম? মনে রাখুন এই সতর্কতাগুলো

অফিস তো কাজের জায়গা। অফিসে আবার কীসের প্রেম? কিন্তু মন কি আর শোনে এসব বিধি নিষেধ? কোন ফাঁকে ভালবেসে ফেলে কোন এক সহকর্মীকে। তিনিও হয়ত একইসাথে ইতিবাচক ইশারা করতে পিছপা হন না। তবে আর কি? প্রেম তো হয়েই গেল! জেনে নিন কার্যক্ষেত্রে মনের এমন আদানপ্রদাণের কিছু সতর্কতা-

বসের সাথে প্রেম নয়
আপনার বস কি আপনার সাথে ঘনিষ্ট হতে চান? আপনি যার অধীনে কাজ করেন তিনি আপনার কাছে যতই আকর্ষণীয় হন না কেন তার সাথে প্রেমময় সম্পর্ক এড়িয়ে চলুন। কারণ সম্পর্কের কারণে আপনি কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন। অবচেতন মনেই তিনি আপনাকে এই সুবিধাগুলো দেবেন। কিন্তু আপনার সহকর্মীরা বিষয়টি ভাক চোখে নেবেন না। আপনার বসের উদ্ধতন যদি কেউ থেকে থাকেন তারা আপনাদের উভয়ের ক্যারিয়ারকে হুমকির মুখে ফেলতে পারেন।

প্রমোশনের জন্য প্রেম নয়
কখনো এমন কারও সাথে প্রেম করবেন না যার সাথে সম্পর্ক আপনাকে বিশেষ সুবিধা দেবে। আর সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্য থেকেই যদি সম্পর্কে যেতে চান তাহলে এক্ষুনি নিজেকে থামান। নিজের যোগ্যতার উপর ভরসা করুন। যে সম্পর্ক সুবিধা দেয় সে সম্পর্ক অসুবিধাও তৈরি করে।

অফিসের মধ্যে ডেটিং
একই অফিসে কাজ করছেন, প্রেমও চলছে চুটিয়ে। তাই বলে কি অফিসে বসেই ডেটিং করা যাবে? আপনাদের একসাথে খাওয়া, কোন কিছু আদান-প্রদানিকেও অফিস ডেটিং হিসেবে দেখতে পারে। কোম্পানির এই বিষয়ে নিয়মগুলো জেনে নিন। অনেক কোম্পানিতে সহকর্মীর সাথে প্রেমের সম্পর্কে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকে। সেক্ষেত্রে আপনার চাকরি চলে যেতে পারে।

ঘনিষ্ঠতার লিমিট রাখুন
আপনার প্রতিষ্ঠানে হয়ত সেই অর্থে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। তবু এটি একটি অফিস। আপনার ঘনিষ্ঠতার একটি লিমিট বজায় রাখুন। নাহলে অন্য সহকর্মীরা বিব্রতবোধ করতে পারেন। প্রেম হল অফিসে এসে, কিন্তু চর্চাটা বাইরেই রাখুন।

গোপনীয়তা রক্ষা করুন
সবচেয়ে ভাল হয়, যদি আপনাদের সম্পর্কের কথা অফিসে গোপন রাখা যায়। চেষ্টা করুন কাউকে না জানাতে। অফিসে আপনি যতই সতর্কতা বজায় রাখুন না কেন আপনাদের সম্পর্কের কথা যদি সবার জানা থাকে তাহলে তথ্যটির অপব্যবহার হতে পারে। অর্থাৎ আপনি হয়ত কোন ভুল করলেন, মিটিং এ অভিযোগ করা হল আপনারা নিজেরা সময় কাটাচ্ছিলেন বলেই এই সমস্যা হয়েছে। এমন ছোটখাট অনেক ব্যাপারেই আঙ্গুল তোলা হবে সোজা সম্পর্কটির উপর। তাই সতর্ক থাকুন।