মেইন ম্যেনু

সাকিবের কাছে তামিমের হার

sanga_31015_1479368070

বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ১৯ রানে হেরেছে তামিম ইকবালের চট্টগ্রাম ভাইকিংস ।

১৪৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারাতে থাকে চট্টগ্রাম। একের পর এক উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১২৯ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় তারা। ৮ নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে মিলস আউট হন ৪ রান করে।

দলীয় সর্বোচ্চ রান আসে অধিনায়ক তামিম ইকবারেল ব্যাট থেকে। তিনি ৩৫ বলে ২৬ রান করেন। তাছাড়া মাহমুদুল হাসান ২০, এনামুল হক বিজয় ১৭ ও মোহাম্মদ নবী ১৫ রান করেন। শেষের দিকে নাজমুল হোসেন মিলন ৭ বলে ১৩ রান করে আউট হন। তাছাড়া আর কেউই বলার মতো রান করতে পারেননি।

শুরুতে জহিরুল ইসলাম ৭ বল খেলে ৬ রান করে রান আউট হন। নাসিরের বলে ১৭ রান করে বিদায় নেন এনামুল হক বিজয়।

তামিম ইকবাল তৃতীয় ব্যাটসম্যাস হিসেবে ২৬ রান করে আউট হন। পরে মাহমুদুল হাসান ২০ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। দলীয় ৯০ ও ব্যক্তিগত ১৫ রানে মোহম্মদ নবীআউট হন। পরে ৮ রান করে শহীদের বলে আউট হন ইলিয়ট। ইলিয়টের ক্যাচ ধরেন নাসির হোসেন।

ঢাকার হয়ে মোহাম্মদ শহীদ ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন। তাছাড়া সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন ও ডুয়েন ব্রাভো ১টি করে উইকেট নেন। জহিরুল ইসলাম ও মিলস রান আউট হন।

এর আগে চট্টগ্রামের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয় নেমে ঢাকা ডায়নামাইটস নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৮ রান তোলে।

ঢাকার পক্ষে সর্বাচ্চ রান করেন তরুণ ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তিনি ২৬ বলে করে ৩৫ রান। তাছাড়া মেহেদী মারুফ ৩৩ ও নাসির হোসেন ২০ রান করেন।

ঢাকার পক্ষে দারুণ শুরু এনে দেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মেহেদী মারুফ ও কুমার সাঙ্গাকারা। ৪১ রানের এই জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ নবী।

তার ঘূর্ণি বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ঢাকার ওপেনার মারুফ ২০ বলে ছয় বাউন্ডারি এক ছক্কায় করেন ৩৩ রান। এরপর দশম ওভারে বল হাতে তমাল মিলস কুমার সাঙ্গাকারা (১৭) ও নাসির হোসেনকে (২০) তুলে নেন।

সেখান থেকে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে দলের হাল ধরেন। তবে তাদের প্রচেষ্টাও খুব বেশি সময় এগোতে দেয়নি চট্টগ্রাম। ১৩ রান করা সাকিবকে বোল্ড করে মোহাম্মদ নবী তার দ্বিতীয় শিকার পূর্ণ করেন। দলীয় ১০০ রানে রানআউট হন ডুয়েন ব্রাভো। এরপর নিয়মিত বিরতিতে ঢাকার উইকেট পড়তে থাকে।

চট্টগ্রামের পক্ষে মোহাম্মদ নবী ১৮ রানে তিনটি ও মিলস ২৬ রানে তিনটি উইকেট নেন। তাছাড়া ইমরান খান নেন একটি উইকেট। ব্রাভো এবং আলাউদ্দিন বাবু রান আউট হন।