মেইন ম্যেনু

স্টার সিনেপ্লেক্সে ফিরলেন টম ক্রুজ

‘মিশন ইম্পসিবল: রোগ নেশন’-এর পর নতুন ছবি নিয়ে আবারও দর্শকদের সামনে আসছেন হলিউড সুপারস্টার টম ক্রুজ। এবারের ছবির নাম ‘জ্যাক রিচার: নেভার গো ব্যাক’। ২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জ্যাক রিচার’ ছবির সিক্যুয়েল এটি। লি চাইল্ডের ‘নেভার গো ব্যাক’ উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি পরিচালনা করেছেন এডওয়ার্ড জুইক। আগের ছবির মতো এটিতেও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন টম ক্রুজ। ২১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাবে ছবিটি। একই দিনে বাংলাদেশেও ছবিটি মুক্তি পাবে। বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য ছবিটি দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স।

অ্যাকশন থ্রিলারভিত্তিক এ ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে মার্কিন সৈন্যদের মৃত্যুর পেছনে একটি সরকারি ষড়যন্ত্রকে ঘিরে। বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগে আটক সেনাবাহিনীর মেজর সুসান টারনারের ঘটনা তদন্তে নামেন জ্যাক রিচার। অভিযান চালান নিজের পুরনো ইউনিটকে নির্দোষ প্রমাণের। ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে মরিয়া হয়ে ওঠেন। আগের ছবিতে দেখা যায়, সাবেক মিলিটারি পুলিশ ক্রপস অফিসার রিচার গোলাগুলির খবর পেয়ে পিটসবার্গে চলে আসেন।
সেখানে এমারসন ও এলেক্স রিচারকে তথ্যসূত্র দেখাতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে কিন্তু জেমসকে দেখতে দেয়, যিনি তখন কোমায় আছেন। জেমসের আইনজীবী জেলা অ্যাটর্নির মেয়ে হেলেন রুডিনের সাথে দেখা হয় রিচারের। হেলেন রিচারকে প্রস্তাব দেয়, যদি সে তাকে তদন্তে সাহায্য করে তবে তাকে তথসূত্র দেখানো হবে।

হেলেনকে ইরাকে জেমসের কাজ সম্পর্কে খোজ নিতে হবে- এই শর্তে রিচার সাহায্য করতে রাজি হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে রিচার বুঝতে পারে অন্য কেউ গুলি করেছে। আসল খলনায়ক হল রাশিয়ান একটি গ্যাংয়ের প্রধান যিনি জীবনের অধিকাংশ সময় জেলে কাটিয়েছন। গোয়েন্দা হেমারসনের সহায়তায় হেলেনকে অপহরন করে এবং তাকে জিম্মি করে রিচারকে আসতে বলে। রিচার একটি শূটিং ফার্মের মালিক সাবেক ইউএস আর্মির গানম্যান ক্যাসকে নিয়ে সেখানে যায় এবং রাশিয়ানদের মেরে হেলেনকে উদ্ধার করে। তবে এবারের ছবিতে ঘটনা মোড় নেয় অন্যদিকে। সরকারের ভেতরে এক ষড়যন্ত্রের জাল দেখা যায়, যা সৈন্যদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করার অভিযানে নামেন রিচার।