মেইন ম্যেনু

স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্বে ‘পুলিশ’

আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে দলটির স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ। সম্মেলন কেন্দ্রে কাউন্সিলরদের প্রবেশের ক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব পুলিশ পালন করায় সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের ডেলিগেটরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড় এলাকায় রোববার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ভিড় করতে থাকেন কাউন্সিলররা। তাদের কার্ড দেখে সম্মেলনস্থলে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে পুলিশ সদস্যরা। আর ওই স্থান থেকে গলায় ডেলিগেট কার্ড নিয়ে যারা প্রবেশ করতে গেছেন তাদের প্রবেশ করতে বাধা দিচ্ছে পুলিশ।

আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলন উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব যাদের পালন করার কথা তাদের কাউকে দেখা যায়নি বেলা ১১টা পর্যন্ত। এরপর দুই-একজন স্বেচ্ছাসেবক যারা এসেছেন তারা কাউন্সিলরদের প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো পদক্ষেপ নেননি। আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবকদের উপস্থিতিতেও মূল ভূমিকা পালন করছে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী।

মৎস্য ভবন মোড় এলাকায় সম্মেলনস্থলে প্রবেশে অপেক্ষারত সুদানগর থানা ছাত্রলীগের গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সোহেল রানা পুলিশের এই ভূমিকা প্রসঙ্গে বলেন, দলের স্বার্থে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়া ঠিক আছে। পুলিশের সহযোগিতা ছাড়া স্বেচ্ছাসেবকদের দিয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হলে তা কেউ মানতেন না।

পুলিশ দিয়ে একটা দলের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে- কীভাবে মূল্যায়ন করেন? এমন প্রশ্নের জবাবে পাবনা জেলার সুদানগর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রানা বলেন, এটা করা ভালো হয়নি।

একই প্রসঙ্গে ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ও সম্মেলনের ডেলিগেট আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, স্বেচ্ছাসেবক ছাড়া শুধু পুলিশ দিয়ে সম্মেলনস্থলে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ খুব খারাপ হয়েছে।

জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কাউন্সিলরদের প্রবেশে সহযোগিতা করার বিষয়টি ভালোভাবে মূল্যায়ন করছে না দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ডেলিগেটরা।

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পিয়াস মাহমুদ বলেন, অনেক দূর থেকে আমরা যারা এসেছি সবার ইচ্ছে কাছ থেকে নেত্রীকে দেখবেন। সম্মেলনস্থলে প্রবেশের দায়িত্বে পুলিশ না থেকে যদি স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্যরা থাকতেন তাহলে পর্যায়ক্রমে আমরাও প্রবেশ করতে পারতাম অল্প সময়ের জন্য হলেও।

এ বিষয়ে রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ওবায়দুল এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।