মেইন ম্যেনু

হলুদ ব্যবহারেই সারিয়ে তুলতে পারবেন এই সমস্যাগুলো

মশলা সংসারে রানি হলুদ। কথায় বলে, সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে৷ মশলাদের এই রমণীর গুণও কিন্তু কম নয়৷ প্রায় প্রতিটি রান্নাতেই হলুদ দেয়া হয়৷ কাঁচা মাছ-মাংসেও হলুদ মাখিয়ে রাখা হয়৷ স্রেফ স্বাদের জন্য অবশ্য নয়৷ হলুদের জীবাণুনাশক ক্ষমতার কারণেই এই ব্যবস্থা৷ এ কারণেই বহু রোগ-ব্যাধি, শারীরিক সমস্যা সারিয়ে তুলতেও হলুদের জুড়ি মেলা ভার৷ ঘরোয়া টোটকার ক্ষেত্রে তাই হলুদ ব্যবহার অব্যর্থ৷ তা কোন কোন অসুখের ক্ষেত্রে এক চিলতে হলুদ ব্যবহারেই স্বস্তি মেলে?

ব্রন: এ সমস্যা নিয়ে টিনএজাররা জেরবার৷ নানা ক্রিম, ফেস ওয়াশ, ওষুধ, লোশন ব্যবহার করেও ফল মেলে না৷ তবে এক্ষেত্রেও সহায় হতে পারে হলুদ৷ ১-৩ চামচ হলুদের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে প্রথমে লেই তৈরি করে নিতে হবে৷ তারপর তা ব্রনর উপর লাগিয়ে রাখতে হবে, যতক্ষণ না শুকিয়ে যায়৷ এরপর ধুয়ে নিলেই হল৷ হলুদের গুণে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য তো ফিরবেই৷ পাশাপাশি ভ্যানিস হবে দুষ্ট ব্রনও৷

ফেস মাস্ক: ত্বকের যত্ন নিতেও হলুদের গুণই ভরসা হয়ে উঠতে পারে৷ না, জটিল কোনও উপকরণ দিয়ে মাস্ক বানাতে হবে না৷ এক চামচ দই, তিন চামচ হলুদ আর আধ চামচ মধু মিশিয়ে নিলেই তৈরি হবে ফেস মাস্ক৷ হলুদের গুণে ত্বকের সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে৷

চুলকানি সারাতে: অনেকেই নামী দামী মলমের দ্বারস্থ হন এই সমস্যায়৷ তবে হলুদ ব্যবহারে কিন্তু ভাল ফল মিলতে পারে৷ হলুদের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রণটি লাগালে চুলকানির উপশম হবেই৷

মুখের ঘা সারাতে: মুখের ঘায়ে অনেকেই জর্জরিত হয়ে থাকেন৷ বাসে-ট্রামে, অফিসে এ কারণে অনেকে মুখ খুলে পর্যন্ত পারেন না৷ এক্ষেত্রে এক টেবিল চামচ জলে এক চিমটে হলুদ, একটু নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে লাগালে মুখের ঘা সেরে যাবে৷

ওজন কমাতে: ওজন কমানোর জন্য কী না করে থাকেন কতজনে৷ হলুদ নিয়ে এই টোটকাটি ট্রাই করে দেখুন তো৷ এক গ্লাস ফোটানো পানিতে হাফ চামচ হলুদ, হাফ চামচ আদার রস মিশিয়ে নিন৷ তারপর খালিপেটে তা পান করুন৷ দেখুন তো, ওজন কমে কি না।-সংবাদ প্রতিদিন