মেইন ম্যেনু

২০১৬: ভূমধ্যসাগর ছিল শরণার্থীদের জন্য মৃত্যুফাঁদ

সংস্থাটি বলছে এ বছর জানুয়ারী থেকে এ পর্যন্ত ৩ হাজার সাতশোর বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে।

এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যে নৌকায় করে সাগর পাড়ি দেবার প্রবণতা লক্ষ্যণীয়ভাবে কমে গেছে, তবে এটা করতে গিয়ে মারা যাবার ঝুঁকি আগের চাইতে বেড়ে গেছে।

জাতিসংঘ বলছে, এর কারণ খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে বা আরো ঝুঁকিপূর্ণ পথে লোকে সাগর পার হবার চেষ্টা করছে এবং মানবপাচারকারীদের নতুন নতুন কৌশল ব্যবহার করছে।

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আসতে গিয়ে নিহতের যে তালিকা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, তাতে দেখা যায় এবছরের ২৩শে অক্টোবর পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩,৭৪০। কিন্তু ২০১৫ সালে সারা বছরে মারা গেছে ৩,৭৭১ জন।

অর্থাৎ এবছর গত বছরের চেয়ে মারা গেছে সামান্য কম। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এবছরে আরো দুমাসের মতো বাকি।

জাতিসংঘের কর্মকর্তারা আগামী দু’মাসকেই অভিবাসীদের জন্যে সবচে বিপদজনক সময় হিসেবে উল্লেখ করছেন।

জেনেভা থেকে বিবিসির সংবাদদাতা ইমোজেন ফোকস বলছেন, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে আসা অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য রকমের কমে গেছে। গত বছর যেখানে তাদের সংখ্যা ছিলো দশ লাখেরও বেশি এবার সেই সংখ্যা ৩ লাখ ২৭ হাজার।

কিন্তু নিহতের সংখ্যা সেই হারে কমছে না, বরং বাড়ছে। গত বছরের প্রথম দশ মাসের সাথে তুলনা করলে এবছর নিহতের সংখ্যা ৬শোরও বেশি।

জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলছেন, এর পেছনে কারণ হচ্ছে, মানব পাচারকারীরা তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে, বেছে নিচ্ছে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ পথ। এছাড়াও খারাপ আবহাওয়ার সময় একই নৌকায় এতো মানুষকে তুলে দেওয়া হচ্ছে যে তারা বিপদে পড়লে, উদ্ধারকারীদের পক্ষে তাদের সবাইকে সামাল দেওয়া সম্ভব হয় না।